📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাইকা ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দে চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন প্রকল্পে জাপানের কারিগরি সহযোগিতা

জাইকা ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দে চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন প্রকল্পে জাপানের কারিগরি সহযোগিতা

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণ এবং আধুনিক যানবাহন সরবরাহের পাশাপাশি কারিগরি সহযোগিতা দেওয়ার কথা বলা হয়

চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছে। এই অর্থে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহনের জন্য ৫০টিরও বেশি আধুনিক যানবাহন এবং ল্যান্ডফিল পরিচালনার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামে আধুনিক স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে জাইকার।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাইকা চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করবে
  • 📌 ৫০টির বেশি আধুনিক যানবাহন এবং ল্যান্ডফিল যন্ত্রপাতি সরবরাহের পরিকল্পনা
  • 📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণে ফতেয়াবাদ নন্দীরহাটে ২৮ একর জমিতে নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের প্রস্তুতি
  • 📌 আগামী ডিসেম্বর মাসে জাইকার বিশেষজ্ঞ দল চট্টগ্রাম সফর করে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করবে
  • 📌 চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন জাইকার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন

📰 বিস্তারিত

গত বুধবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নগর ভবনে জাইকার প্রতিনিধিদলের সাথে চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেনের বৈঠকে এই তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে জানানো হয়, জাপান সরকার প্রস্তাবিত অনুদান প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অনুমোদন দিয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে জাইকার সদর দপ্তর থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল চট্টগ্রাম সফর করবে। তাদের সমীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণে ফতেয়াবাদ নন্দীরহাট এলাকায় নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের বিষয়েও আলোচনা হয়। চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে ২৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি অংশে ১৮ একর এবং পাশের অন্য অংশে ১০ একর জমি রয়েছে। জাইকা বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি হিদেকি ওসাওয়া জানান, নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরিতে জাইকার কারিগরি সহায়তা দলের বিশেষজ্ঞরা চসিকের সঙ্গে কাজ করছেন।

চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন জাইকার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে চসিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।

"প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে চসিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। নতুন ল্যান্ডফিল নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান ল্যান্ডফিলগুলোর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নেও জাইকার কারিগরি সহযোগিতা প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ফতেয়াবাদ নন্দীরহাট (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শাহাদাত হোসেন (চসিক প্রশাসক), হিদেকি ওসাওয়া (জাইকা বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০ কোটি টাকা (বরাদ্দ), ৫০টি+ যানবাহন, ২৮ একর জমি (নতুন ল্যান্ডফিল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖