📌 গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অবস্থিত সরকারি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো. সেতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, হুমকি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে বিভাগীয় শুনানিতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে সম্প্রতি তাঁকে পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অবস্থিত সরকারি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালিকা) তত্ত্বাবধায়ক মো. সেতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, হুমকি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিভাগীয় শুনানিতে অভিযোগ ‘সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি’ উল্লেখ করে তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সম্প্রতি তাঁকে পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে সরকারি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো. সেতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠে আসে
- 📌 অভিযোগের তদন্ত শেষে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল
- 📌 বিভাগীয় শুনানিতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়
- 📌 সম্প্রতি তাঁকে পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে
- 📌 সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রতিষ্ঠান) মোহা. কামরুজ্জামান জানান, অভিযোগের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করা হবে
- 📌 বর্তমানে সেতারুজ্জামানকে অধিদপ্তরে ওএসডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অবস্থিত সরকারি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো. সেতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, হুমকি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিভাগীয় শুনানিতে অভিযোগ ‘সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি’ উল্লেখ করে তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সম্প্রতি তাঁকে পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রতিষ্ঠান) মোহা. কামরুজ্জামান প্রথম আলোকে জানান, সেতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে সেতারুজ্জামানকে অধিদপ্তরে ওএসডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ১০ নভেম্বর কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন ঢাকার বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আয়েশা আক্তার। তিনি নিবাসী ও কর্মরত ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। গত ৮ ডিসেম্বর পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়, ছয়জন নিবাসী নিজেদের এবং অন্যদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানির বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেছে।
"বিবাহিত কিশোরীদের স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইতেন তত্ত্বাবধায়ক সেতারুজ্জামান। সন্তান কেন নেয়নি—এসব প্রশ্ন করতেন। স্বামীকে কেন্দ্রে ডেকে এনে কিশোরীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ করে দেওয়ার প্রস্তাবও দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়।"
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছুটির দিন, সন্ধ্যা কিংবা রাতেও কিশোরীদের একা কক্ষে ডেকে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেওয়ার অভিযোগ করেছে কয়েকজন। এক কিশোরী জানিয়েছে, একপর্যায়ে সে সেতারুজ্জামানের হাতে কামড় দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয়। আরেক কিশোরীর অভিযোগ, তাকে বাথরুমে গিয়ে একসঙ্গে পাঁচ মিনিট সময় কাটাতে বলতেন তত্ত্বাবধায়ক। কাউকে কাউকে মুঠোফোনে পর্নোগ্রাফি ভিডিও দেখতেও বাধ্য করার অভিযোগ আছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের কোনাবাড়ী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সেতারুজ্জামান, আয়েশা আক্তার, মোহা. কামরুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন কিশোরী, ১০ নভেম্বর, ৮ ডিসেম্বর, ১৫ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!