📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদ: মেয়াদ শেষ করা চারজনই ১৯৯১-এর পর দায়িত্ব পালনকারী

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদ: মেয়াদ শেষ করা চারজনই ১৯৯১-এর পর দায়িত্ব পালনকারী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে মাত্র চারজন তাঁদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ করতে পেরেছেন। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৯ জন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করেছেন, যাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পদত্যাগ বা হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে মাত্র চারজন রাষ্ট্রপতি তাঁদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ করতে পেরেছেন। অন্যরা বেশির ভাগই পদত্যাগ করেছেন বা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত কোনো রাষ্ট্রপতিই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি। এছাড়া মেয়াদ শেষ করা রাষ্ট্রপতিদের সবাই ১৯৯১ সালের পর দায়িত্বে আসেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদে মাত্র চারজন তাঁদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ করেছেন
  • 📌 রাষ্ট্রপতি পদে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন দুইজন
  • 📌 জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি কেউই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি
  • 📌 মেয়াদ শেষ করা রাষ্ট্রপতিদের সবাই ১৯৯১ সালের পর দায়িত্ব পালন করেছেন
  • 📌 সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্য্যাগ করার পর বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে মোট ১৯ জন দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন একাধিকবারও দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতি পদে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন দুজন। এছাড়া বেশির ভাগ রাষ্ট্রপতিই পদত্যাগ করতে বাধ্য হন বা রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েন।

সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন। তাঁর পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। গত শুক্রবার তিনি রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ করেন।

মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন যে তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। এছাড়া তাঁর হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। তাঁর মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে সমস্যা ছিল এবং তিনি অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগেও আক্রান্ত ছিলেন।

"আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদ্যন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি নামের রোগ শনাক্ত হয়েছে। এ রোগের কারণে আমি মাঝেমধ্যে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।"

স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্রপতি পদে যাঁরা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের মধ্যে তিনজন এখনও জীবিত। তাঁদের মধ্যে মো. আবদুল হামিদ নির্ধারিত দুই মেয়াদ শেষে স্বাভাবিক অবসরে যান। রাষ্ট্রপতি পদে স্থিতিশীলতা না থাকায় বারবার পরিবর্তন হয়েছে রাষ্ট্রপতির পদ। হত্যাকাণ্ড, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান, গণ-আন্দোলন ও রাজনৈতিক বিরোধের কারণে এ পরিবর্তন ঘটেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাহাবুদ্দিন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, হাফিজ উদ্দিন আহমদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (মেয়াদ শেষ করা রাষ্ট্রপতি), ১৯ (দায়িত্ব পালনকারী রাষ্ট্রপতি), ২৪ (বর্তমান রাষ্ট্রপতি পদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖