📌 দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে চট্টগ্রামে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা সড়ক অবরোধ করেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রের নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবিতে চিঠি দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো
দেশজুড়ে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেই চট্টগ্রামে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা সড়ক অবরোধ করেছেন। অন্যদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রের নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবিতে চিঠি দিয়েছে জামালপুর ও জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের ষোলশহরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকদের সড়ক অবরোধ
- 📌 দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস না পেয়ে চালকদের ক্ষোভ ও অবরোধ
- 📌 বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে লোডশেডিংয়ে জন-অসন্তোষ বৃদ্ধি
- 📌 জামালপুর ও জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি
- 📌 দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর এলাকায় সকাল সাতটার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা সড়ক অবরোধ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে ফসিল ফিলিং স্টেশনের সামনে গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে তাঁরা অবরোধ করেন। পরে পুলিশের অনুরোধে চালকরা সড়ক থেকে সরে যান। মোহাম্মদ হানিফ নামের এক চালক বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কখন গ্যাস পাব, কেউ বলছে না। এভাবে দিনের পর দিন বসে থাকলে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব?’
অন্যদিকে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে জন-অসন্তোষ বাড়ায় বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছে জামালপুর ও জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সমিতির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুতের গড় চাহিদা ১৭০ মেগাওয়াট। বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে দিনে প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে। গ্রাহকেরা ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের মুখে পড়ছেন।
একই কারণে জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিও জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে চিঠি দিয়েছে। জেলায় বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৭২ মেগাওয়াট। বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ২৬ থেকে ২৮ মেগাওয়াট। ফলে দিনে ও রাতে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
এদিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত শুক্রবার সকাল থেকে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের এক নম্বর ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এই ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। ফলে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি আরও বেড়ে গেছে।
‘৩০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকে তো আবার কয়েক ঘণ্টা থাকে না।’ — ইসলামপুর উপজেলার নটাকান্দা এলাকার মিজানুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, জামালপুর, জয়পুরহাট, দিনাজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ হানিফ (চালক), মিজানুর রহমান (গ্রাহক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট, ১৭০ মেগাওয়াট, ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ, ৯০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট, ৭২ মেগাওয়াট, ২৬ থেকে ২৮ মেগাওয়াট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!