📌 কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ গাজীপুরের গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার উদ্বোধন করে বলেছেন, এই প্রযুক্তি কৃষিপণ্যের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। ৮৯ কোটি টাকায় নির্মিত সেন্টারটি চীনসহ বৈদেশিক বাজারে আম ও কাঁঠাল রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে
গাজীপুরের ভবানীপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক গবেষণা স্টেশনে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, এই প্রযুক্তি দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানির জন্য আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩১ অক্টোবর** গাজীপুরের ভবানীপুরে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার উদ্বোধন করা হয়, যা ৮৯ কোটি টাকায় নির্মিত
- 📌 **কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ** বলেন, এই প্রযুক্তি কৃষিপণ্যের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে
- 📌 **রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম** এবং **কাঁঠাল** রপ্তানির জন্য গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি প্রয়োজনীয়
- 📌 **চীন** থেকে প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের আম আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা রপ্তানির সুযোগ তৈরি করেছে
- 📌 **কৃষিপণ্যের পচন রোধ** এবং **কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সুরক্ষা** নিশ্চিত করতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলায় পর্যায়ক্রমে সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি কৃষিপণ্যের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়িয়ে জীবাণুমুক্তকরণ এবং গুণগত মান বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমান সরকার কৃষিপণ্যকে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন অঞ্চলের আমের গুণগত মান ভালো হলেও, গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব আমের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো ও জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চীনসহ আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁঠালেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে এসব পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা জরুরি। এ লক্ষ্যে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের পচন ও অপচয় রোধ এবং কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সুরক্ষায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতেও পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কৃষির অর্থনীতি শক্তিশালী হলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার কৃষি খাতকে সহযোগিতা করে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. সারফুল হক ভূঁইয়া সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি ডা. জিয়াওকুন শি।
"কৃষিপণ্যের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো, জীবাণুমুক্তকরণ এবং গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের ভবানীপুর, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক গবেষণা স্টেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৯ কোটি টাকা (সেন্টারের নির্মাণ ব্যয়), ৩১ অক্টোবর (উদ্বোধন তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!