📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধায় চার বছর পর জীবিত পাওয়া নবজাতক: মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ

গাইবান্ধায় চার বছর পর জীবিত পাওয়া নবজাতক: মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধার ফুলছড়িতে চার বছর আগে মৃত বলে ঘোষণা করা নবজাতক জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে। অভিযোগ, হাসপাতালে জন্মের পরই শিশুটিকে মায়ের কাছ থেকে সরিয়ে অন্যত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়রা দাবি তুলেছেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও শিশুটিকে খুঁজে বের করার

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে চার বছর আগে মৃত বলে ঘোষণা করা একটি নবজাতক জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে চান মিয়ার স্ত্রী আকলিমা তৃতীয় সন্তান জন্ম দেন। পরিবারের অভিযোগ, জন্মের পরপরই শিশুটিকে মায়ের কাছ থেকে গোপনে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে দালালচক্রের মাধ্যমে শিশুটিকে অন্যত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে জন্মগ্রহণকারী নবজাতককে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল
  • 📌 অভিযোগ, শিশুটিকে জন্মের পরপরই মায়ের কাছ থেকে সরিয়ে অন্যত্র দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি করেছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও শিশুটিকে খুঁজে বের করার
  • 📌 ঘটনার প্রতিবাদে ফুলছড়ির মদনেরপাড়া বাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে
  • 📌 কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু জানান, আকলিমা নিজেই শিশুটিকে দত্তক দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

ফুলছড়ির মদনেরপাড়া গ্রামের চান মিয়ার স্ত্রী আকলিমা ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে তৃতীয় সন্তান জন্ম দেন। পরিবারের অভিযোগ, জন্মের পরপরই শিশুটিকে মায়ের কাছ থেকে গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে দালালচক্রের মাধ্যমে শিশুটিকে অন্যত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিবারকে জানানো হয়েছিল যে, শিশুটি মৃত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেছে এবং তাকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, চার বছর পর শিশুটির জীবিত থাকার তথ্য সামনে আসায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার ফুলছড়ির মদনেরপাড়া বাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, একজন মায়ের কাছ থেকে নবজাতককে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর ও অমানবিক। চার বছর ধরে একজন মা তাঁর সন্তানের প্রকৃত পরিণতি জানেন না বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

এদিকে মাস দেড়েক আগে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালুর উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিযুক্ত মমতা বেগমসহ অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তাঁরা শিশুটিকে অন্যত্র দিয়ে দেওয়ার তথ্য দেন। চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু বলেন, ‘আমি যেটুকু জানতে পেরেছি, এর আগে আকলিমার তিনটি কন্যাসন্তান ছিল। চতুর্থ সন্তানটিও কন্যা হওয়ায় নিজেই রশিদা বেগমের মাধ্যমে নবজাতককে দত্তক দেন আকলিমা। তবে এখন তিনি তাঁর সন্তানকে ফেরত চাচ্ছেন।’

‘চেষ্টা করেও মীমাংসায় পৌঁছাতে না পেরে আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দিয়েছি।’ — সোহেল রানা শালু, চেয়ারম্যান, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফুলছড়ি, গাইবান্ধা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চান মিয়া, আকলিমা, সোহেল রানা শালু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ বছর, ১৭ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖