📌 বিদেশি বন্দীদের মৃত্যু হলেও অধিকাংশ দেশই তাদের মরদেহ ফেরত নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে। গত দুই বছরে ১৭ জন বিদেশি বন্দীর মৃত্যু হলেও কেবল ভারত দুজনের মরদেহ গ্রহণ করেছে। কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দী থাকলেও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি প্রকট
দেশের কারাগারগুলোতে বিদেশি বন্দীদের মৃত্যু হলেও অধিকাংশ দেশই তাদের মরদেহ ফেরত নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে। গত দুই বছরে বিভিন্ন কারাগারে ১৭ জন বিদেশি বন্দীর মৃত্যু হলেও কেবল ভারত দুজনের মরদেহ ফেরত নিয়েছে। যেসব বিদেশি বন্দীর মরদেহ ফেরত নেওয়া হয়নি, তাদের বেশিরভাগই আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি অর্থাৎ ৯৮ হাজার বন্দী থাকলেও ধারণক্ষমতা মাত্র ৪৫ হাজার
- 📌 গত দুই বছরে ১৭ জন বিদেশি বন্দীর মৃত্যু হলেও কেবল ভারত দুজনের মরদেহ ফেরত নিয়েছে
- 📌 বিদেশি বন্দীদের মধ্যে ১৭০ জনের সাজা শেষ হলেও দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় তারা কারাগারে রয়েছেন
- 📌 ২০২৫ সালে কারাগারগুলোতে ১৮৭ জন এবং ২০২৬ সালে ১২২ বন্দীর মৃত্যু হয়েছে
- 📌 গত জুন থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৬ হাজার জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কারাগারগুলোতে বিদেশি বন্দীদের মৃত্যু হলেও অধিকাংশ দেশই তাদের মরদেহ ফেরত নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে। গত দুই বছরে বিভিন্ন কারাগারে ১৭ জন বিদেশি বন্দীর মৃত্যু হলেও কেবল ভারত দুজনের মরদেহ ফেরত নিয়েছে। যেসব বিদেশি বন্দীর মরদেহ ফেরত নেওয়া হয়নি, তাদের বেশিরভাগই আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক। মৃত্যুর তিন মাস পর বিধি অনুযায়ী তাদের মরদেহ দাফন বা সৎকার করা হয়। তবে তিনটি মরদেহ এখনো মর্গে রয়েছে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন কারাগারে ৩৭৯ জন বিদেশি বন্দী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭০ জনের সাজা শেষ হলেও দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় তারা কারাগারে রয়েছেন। তাদের নিজ দেশে পাঠাতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ চলছে বলে জানান তিনি। বিদেশি বন্দী মারা গেলে বিধি অনুযায়ী মরদেহ তিন মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হয়। পরিবার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মরদেহ নিতে না এলে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
২০২৫ সালে দেশের কারাগারগুলোতে ১৮৭ জন এবং ২০২৬ সালে ১২২ বন্দীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান আইজি প্রিজন। গত সাত মাসে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৬ হাজার বন্দী চিকিৎসা নিয়েছে। বর্তমানে ১২২ বন্দী কারাগারের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি জানান, কারাগারগুলোতে চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে।
"কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দী রয়েছে। ৭৫টি কারাগারের ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার হলেও গতকাল ৯৮ হাজার বন্দী ছিল। অতিরিক্ত বন্দীর চাপের কারণে আবাসন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর বকশীবাজার, কারা অধিদপ্তর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭৯ জন বিদেশি বন্দী, ১৭ জন মৃত্যু, ৯৮ হাজার বন্দী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!