📌 টেকনাফের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আব্দুল্লাহ ও তার পিতা আবুল বশরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে চার ও তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের বিশেষ আদালত। দুদকের অনুসন্ধানে আব্দুল্লাহর নামে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার সম্পদের বিপরীতে বৈধ আয় পাওয়া যায় মাত্র ১০ লাখ টাকা
চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল্লাহকে চার বছর কারাদণ্ড এবং তার বাবা আবুল বশরকে তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে মো. আব্দুল্লাহকে চার বছর কারাদণ্ড
- 📌 আবুল বশরকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগে তিন বছর কারাদণ্ড
- 📌 আব্দুল্লাহর নামে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার সম্পদের বিপরীতে বৈধ আয় মাত্র ১০ লাখ টাকা
- 📌 আদালত আব্দুল্লাহকে ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেন
- 📌 রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল্লাহকে চার বছর কারাদণ্ড এবং তার বাবা আবুল বশরকে তিন বছর কারাদণ্ড প্রদান করেন। দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন জানান, আব্দুল্লাহ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে চার বছরের কারাদণ্ড ও ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আবুল বশরকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল আব্দুল্লাহর নামে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়। নির্ধারিত সাত কার্যদিবসের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় পরবর্তীতে সময় বৃদ্ধির আবেদনও করেননি।
দুদকের অনুসন্ধানে আব্দুল্লাহর নামে মোট ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় মাত্র ১০ লাখ টাকা। ফলে তার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উঠে আসে।
অপর দিকে, আবুল বশর টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নম্বর-২১৭৩ (০২/১১/২০১৬) মূলে ২০ লাখ টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিন মাসের মধ্যেই ওই জমি তার বড় ছেলে আব্দুল্লাহকে হেবা দলিল (নম্বর-৩৬৭, ০৭/০২/২০১৭) করে দেন। অবৈধ সম্পদ বৈধ করার এই অপচেষ্টায় সহায়তা করায় আদালত আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
‘আসামি মো. আবদুল্লাহ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় চার বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।’ — দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্দুল্লাহ, আবুল বশর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ বছর, ৩ বছর, ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা, ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!