📌 ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিবেশীর হামলা থেকে ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে আক্কাস খানকে। তাঁর ছেলে জসিম খান গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিবেশীর হামলা থেকে ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে আক্কাস খানকে (৫৫)। গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আক্কাস খানের ছেলে জসিম খানের সঙ্গে প্রতিবেশী সজল খানের বিরোধ চলছিল। এতে উভয় পরিবার সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতিবেশীর হামলা থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হন আক্কাস খান (৫৫)
- 📌 ঘটনা ঘটে ঝালকাঠির নলছিটির গোবিন্দপুর গ্রামে
- 📌 প্রতিপক্ষ পরিবারের সদস্যরা মিলে চালান হামলা
- 📌 গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয়রা, পরে মৃত্যু আক্কাস খানের
- 📌 ছেলে জসিম খান চিকিৎসাধীন রয়েছে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
- 📌 ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ
📰 বিস্তারিত
গতকাল রোববার বিকেলে ঝালকাঠির নলছিটির গোবিন্দপুর গ্রামে প্রতিবেশীর হামলা থেকে ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে আক্কাস খানকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আক্কাস খানের ছেলে জসিম খানের সঙ্গে প্রতিবেশী সজল খানের বিরোধ চলছিল। এতে উভয় পরিবার সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।
গতকাল বিকেলে বাড়ির সামনের রাস্তায় জসিম খানের ওপর প্রতিপক্ষ পরিবারের সদস্যরা মিলে হামলা চালান। জসিমের চিৎকার শুনে তাঁর বাবা আক্কাস খান ছেলেকে বাঁচাতে গেলে দুজনকেই কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন প্রথমে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আক্কাস খানের মৃত্যু হয়।
ছেলে জসিম খানকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে গেছেন বলে জানান নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ। তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
"জসিমের চিৎকার শুনে তাঁর বাবা আক্কাস খান বাঁচাতে গেলে দুজনকেই কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোবিন্দপুর গ্রাম, নলছিটি, ঝালকাঠি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আক্কাস খান (৫৫), জসিম খান, মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ বছর, রাত সাড়ে ১১টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!