📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলার খোয়াড় গ্রামে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ ও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দশটি নৌকা অংশগ্রহণে দুই দলের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার খোয়াড় গ্রামে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠার ছন্দ, মাঝিদের উদ্দীপনা আর দর্শকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শুক্রবার বিকেলে আটঘর ইউনিয়নের খোয়াড় গ্রামের বটতলা সংলগ্ন আষাঢ়ের বিলে স্থানীয় উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্থানীয় উদ্যোগে আয়োজিত নৌকা বাইচে অংশ নিয়েছে দশটি নৌকা
- 📌 বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়: বড় দলের প্রথম বাবু মিয়ার নৌকা, দ্বিতীয় আনিস মাতুব্বরের নৌকা
- 📌 ছোট নৌকা ক্যাটাগরিতে সোলেমান ফকিরের নৌকা জয়ী হয়, দ্বিতীয় মুস্তাকিন মাতুব্বরের নৌকা
- 📌 প্রধান অতিথি ছিলেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন
📰 বিস্তারিত
আষাঢ়ের বিলের দুই পাড়ে জমায়েত হওয়া দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় এই আয়োজন। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের সমাগম।
দশটি নৌকা নিয়ে দুই দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই নৌকা বাইচ শেষে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। বড় দলের প্রথম স্থান অধিকার করে বাবু মিয়ার নৌকা, দ্বিতীয় স্থান পায় আনিস মাতুব্বরের দল। অন্যদিকে ছোট নৌকা ক্যাটাগরিতে সোলেমান ফকিরের নৌকা জয়ী হয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে মুস্তাকিন মাতুব্বরের দল।
এছাড়াও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাবলুর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
"নৌকা বাইচ আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যের অন্যতম অংশ। এই আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের সংস্কৃতি তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার খোয়াড় গ্রাম
- 👥 প্রধান ব্যক্তিবর্গ: ইউএনও দবির উদ্দিন, ওসি মো. বাবলুর রহমান খান, সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার
- 🔢 অংশগ্রহণকারী নৌকা: ১০টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!