📌 ফরিদপুরের সালথায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিশু নিহত হয়েছে। ঘটনায় থানায় মামলা না করে স্থানীয়ভাবে চার লাখ টাকায় মীমাংসার অভিযোগ উঠেছে। নিহত শিশু জান্নাতি আক্তার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিশু নিহত হওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা না করে স্থানীয়ভাবে চার লাখ টাকায় মীমাংসা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বড়বাংরাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরের সালথায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জান্নাতি আক্তার (৫) নামে এক শিশু নিহত
- 📌 ঘটনায় থানায় মামলা না করে স্থানীয়ভাবে চার লাখ টাকায় মীমাংসার অভিযোগ
- 📌 নিহত শিশু বড়বাংরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল
- 📌 দুর্ঘটনার সময় শিশুটি কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে স্কুলে যাচ্ছিল
📰 বিস্তারিত
সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বড়বাংরাইল এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জান্নাতি আক্তার নামে এক শিশু নিহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটি কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে স্কুলে যাচ্ছিল। একই গ্রামের সেলিম মুন্সির ছেলে সজিব মুন্সি দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে ফুলবাড়িয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মোটরসাইকেলটি পেছন থেকে জান্নাতিকে ধাক্কা দিলে সে রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা তাকে ফুলবাড়িয়া বাজারে নিয়ে যান। পরে সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটির মৃত্যুর পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির মোল্লার উদ্যোগে মোটরসাইকেলচালকের পক্ষের সঙ্গে নিহত শিশুর পরিবারের চার লাখ টাকায় সমঝোতা হয়।
"দুই পক্ষই গরিব মানুষ। তাই মামলার দিকে না গিয়ে চার লাখ টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি মীমাংসা করেছি।"
নিহত জান্নাতির বাবা ইলিয়াস মুন্সি বলেন, তিনি টাকা চান না, তার মেয়ের হত্যাকারীর বিচার চান। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চান তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সালথা, ফরিদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জান্নাতি আক্তার, মনিরুজ্জামান মনির মোল্লা, ইলিয়াস মুন্সি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ টাকা, ৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!