📌 বনানীর মনিমালা জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট নিয়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার হন রুবেল আহম্মেদ ফকির। আদালত তাঁকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। জাল নোটের উৎস অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে
বনানীর মনিমালা জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট নিয়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার হন রুবেল আহম্মেদ ফকির (৪৬)। আদালত তাঁকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।
🔴 মূল ঘটনা
- 📌 প্রায় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট নিয়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার হন রুবেল আহম্মেদ ফকির।
- 📌 আদালত তাঁকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
- 📌 রুবেলের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ১৬টি মামলা রয়েছে।
- 📌 পালিয়ে যাওয়া সহযোগী আবদুল্লাহ আল কাফিকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার বিকেলে বনানী সুপার মার্কেটের মনিমালা জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট নিয়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার হন রুবেল আহম্মেদ ফকির। ঘটনার বিবরণে বলা হয়েছে, ক্রেতা সেজে প্রবেশ করে রুবেল ও তাঁর সহযোগী আবদুল্লাহ আল কাফি প্রায় ২০-২১ ভরি স্বর্ণালংকার কেনার কথা জানান। কর্মচারীদের সন্দেহ হওয়ায় জাল টাকা ধরা পড়ে। বিষয়টি বুঝতে পেরে দুই আসামি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা রুবেলকে ধরে ফেলেন।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ আসামিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। এ সময় পুলিশ ৫৮টি বান্ডিলে সর্বমোট ৫৭ লাখ ৫ হাজার টাকার জাল নোট ও একটি ট্রলি ব্যাগ জব্দ করে। মনিমালা জুয়েলার্সের ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম আসামিসহ দুজনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
"প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জাল টাকার বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি। তাই জাল টাকা উৎপাদন ও সরবরাহের মূল উৎস চিহ্নিত করা, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার এবং এই চক্রের অপরাপর সদস্যদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।"
তদন্ত কর্মকর্তা জুম্মান খান জানান, রুবেল একজন পেশাদার জাল নোট চক্রের সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে রাজধানীর মুগদা, শাহজাহানপুর, পল্টন, গুলশান, উত্তরা-পশ্চিম এবং নেত্রকোনা, রাজবাড়ী ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন থানায় জাল নোট তৈরি, প্রতারণা, মানি লন্ডারিং ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনসহ মোট ১৬টি মামলা রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর বনানী সুপার মার্কেটের মনিমালা জুয়েলার্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুবেল আহম্মেদ ফকির (৪৬), আবদুল্লাহ আল কাফি, শহিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭ লাখ টাকা, ৫৮টি বান্ডিল, ৫৭ লাখ ৫ হাজার টাকা, ২০-২১ ভরি স্বর্ণালংকার, ১৬টি মামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!