📌 চারণভূমি সুরক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার তাগিদ দিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। মঙ্গোলিয়ার উলানবাটরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনের ১৭তম সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে আলোচনা করেন
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, কমিউনিটি ও খাস চারণভূমি চিহ্নিত ও মানচিত্রভুক্ত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু চারণভূমি সুরক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়েছেন
- 📌 মঙ্গোলিয়ার উলানবাটরে জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনের (ইউএনসিসিডি) ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজের (কপ-১৭) মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে তিনি বক্তব্য রাখেন
- 📌 বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে প্রায় ২ শতাংশ অবদান রাখে
- 📌 উপকূলীয় এলাকায় চারণভূমি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, প্রচলিত অর্থে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ চারণভূমির দেশ নয়। তবে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও জীবিকায় প্রাণিসম্পদ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফসল কাটার পর কৃষিজমি, পতিত জমি, চরাঞ্চল, জলাভূমি ও সড়কের পাশের বিভিন্ন এলাকা পশুচারণে ব্যবহৃত হয়। তিনি উল্লেখ করেন, প্রাণিসম্পদ খাত দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে প্রায় ২ শতাংশ অবদান রাখে এবং লাখো মানুষের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত।
তিনি বলেন, জনসংখ্যার চাপ ও ভূমি ব্যবহারের কারণে পশুচারণের জায়গা ক্রমেই কমছে। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় চারণভূমি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে খাস ও কমিউনিটি জমির সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
আবদুল আউয়াল মিন্টু আরও বলেন, ভূমি ব্যবহারসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহজ ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি জলাভূমি ও বন্যা-বিধৌত অঞ্চলের পরিবেশগত গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এসব এলাকা মাটির উর্বরতা রক্ষা, পানি নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও কার্বন ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
টাঙ্গুয়ার হাওরের উদাহরণ দিয়ে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচ্য ফল দিয়েছে। তবে এ ধরনের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে সফল করতে ধারাবাহিক অর্থায়ন ও দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকার প্রয়োজন। তিনি জানান, টেকসই চারণভূমি ও কমন ল্যান্ড ব্যবস্থাপনাকে জাতীয় জীববৈচিত্র্য কৌশল ও কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সমন্বয় করবে বাংলাদেশ।
"ভূমি ব্যবহারসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহজ ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মঙ্গোলিয়ার উলানবাটর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আউয়াল মিন্টু (পরিবেশমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭তম (কপ-১৭), ২ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!