📌 ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া শোভাযাত্রায় অংশ নেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। পরে আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনে মহানবীর আদর্শ তুলে ধরে বক্তারা
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস। সাদা পোশাক ও টুপিধারী মানুষের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক। আজ বুধবার ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত মুসল্লিরা উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্যানজুড়ে তৈরি হয় বিশাল জনসমাগম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুস
- 📌 সকাল ১০টায় শুরু হওয়া শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ
- 📌 জুলুস শেষে আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
- 📌 মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান বক্তারা
- 📌 মহাসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ড. আনিসুজ্জামান ও খলিফা আলমগীর খান
📰 বিস্তারিত
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস। ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল থেকেই মুসল্লিরা উদ্যানে সমবেত হন। সাদা পোশাক ও টুপিধারী মানুষের উপস্থিতিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক মুখরিত হয়ে ওঠে।
সকাল ১০টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দক্ষিণ গেট থেকে জশনে জুলুস শুরু হয়। আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার সভাপতি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উদ্যানে ফিরে আসে। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল কালেমাখচিত পতাকা, বিভিন্ন বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও রঙিন ফেস্টুন। অনেকে বহন করেন বিশাল জাতীয় পতাকাও।
জশনে জুলুস শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ। সভাপতির বক্তব্যে ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত। তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষকে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন।
"বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করা জরুরি।"
আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা সৈয়দ মেহেবুবে মইনুদ্দীন এবং মইনীয়া যুব ফোরামের সভাপতি ও ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব সুফি স্কলারসের আহ্বায়ক শাহজাদা সৈয়দ মাশুক মইনুদ্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর এমিরেটস ডক্টর আনিসুজ্জামান ও আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার সাধারণ সম্পাদক খলিফা আলমগীর খান।
মহাসমাবেশে বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ বিশ্বমানবতার জন্য শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের পথনির্দেশনা। তাঁর শিক্ষা অনুসরণের মাধ্যমে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ, বৈষম্য ও অমানবিকতা দূর করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি মানবিকতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
মহাসমাবেশে নারী অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। ধর্মীয় আবেগ ও শান্তির বার্তায় মুখর এ আয়োজন শেষে দেশ, জাতি, শান্তি ও মানবতার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম শাহ সুফি ড. শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রাজধানী
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ, এমিরেটস ডক্টর আনিসুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ আগস্ট, সকাল ১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!