📌 ই-কেম নামের অনলাইন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হেরোইন তৈরির নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক বিক্রির ঘটনায় আইটি ম্যানেজারসহ প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। অভিযানে ৬ লিটার নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ও বিক্রির নথিপত্র জব্দ করা হয়
ঢাকার কুড়িল প্রগতি সরণী এলাকায় অবস্থিত ই-কেম নামের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনলাইনে হেরোইন তৈরির কাঁচামাল বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। অভিযানে প্রতিষ্ঠানের আইটি ম্যানেজার মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির হেফাজত থেকে ৬ লিটার নিয়ন্ত্রিত প্রিকারসর কেমিক্যাল এবং অবৈধ লেনদেনের নথিপত্র জব্দ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ই-কেমের অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হেরোইন তৈরির নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর
- 📌 অভিযানে গ্রেফতার হন প্রতিষ্ঠানের আইটি ম্যানেজার মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারী
- 📌 অভিযানে জব্দ হয় ৬ লিটার নিয়ন্ত্রিত প্রিকারসর কেমিক্যাল ও অবৈধ লেনদেনের নথিপত্র
- 📌 গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ই-কেমের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়
- 📌 জাতিসংঘের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রিকারসর কেমিক্যাল বিক্রিতে কঠোর নিয়ম রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিচালক মেহেদী হাসান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অনলাইনে নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। গোয়েন্দা তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে অধিদফতরের পক্ষ থেকে ই-কেমের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ৫০০ মিলিলিটার এসিটিক এ্যানহাইড্রাইড অর্ডার করা হয়, যা মরফিন থেকে হেরোইন উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
অর্ডার গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ক্রেতার কাছ থেকে কোনো অনুমোদন বা লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা হয়নি বলে জানান মেহেদী হাসান। অর্ডার গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পণ্য সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে পণ্যটি ঢাকার নিকেতন এলাকায় পৌঁছালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের গোয়েন্দা দল অভিযান পরিচালনা করে। গত ২৪ আগস্ট ওই এলাকায় ই-কেমের সরবরাহকৃত পার্সেল থেকে ৫০০ মিলিলিটার এসিটিক এ্যানহাইড্রাইড এবং ১ লিটার এসিটোন জব্দ করা হয়।
ডেলিভারিম্যানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে কুড়িল প্রগতি সরণী এলাকায় অবস্থিত ই-কেমের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানের আইটি ম্যানেজার মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারীকে আটক করা হয়। তার প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৬ লিটার রাসায়নিক পদার্থ ও নিয়ন্ত্রিত প্রিকারসর কেমিক্যাল বিক্রির কাগজপত্র জব্দ করা হয়।
"প্রিকারসর কেমিক্যালগুলোর বৈধ ব্যবহার থাকলেও অবৈধ মাদক উৎপাদনে ব্যবহারের কারণে এগুলোর সরবরাহ ও ব্যবহার আন্তর্জাতিকভাবেও কঠোর নজরদারির আওতায় রয়েছে। বৈধ শিল্পকারখানা ও গবেষণাগারে ব্যবহৃত রাসায়নিক যেন অবৈধ মাদক তৈরির কাজে চলে না যায়, সে জন্য সরবরাহের উৎস, ক্রেতা, পরিমাণ এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে যথাযথ নজরদারি রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িল প্রগতি সরণী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান, মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লিটার, ৫০০ মিলিলিটার, ১ লিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!