📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগে স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা না রাখার কারণে স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া খসড়াটি সংসদে উত্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় কমিশনকে আইনে 'স্বাধীন প্রতিষ্ঠান' হিসেবে ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে তার স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে। বিশেষ করে শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে কমিশনকে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করতে হবে বলে আইনের খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে
- 📌 শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে কমিশনকে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন চাইতে হবে
- 📌 ১৯ ধারায় শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের জন্য বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে কমিশনকে স্বাধীন অনুসন্ধানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল
- 📌 মানবাধিকারকর্মী মো. নূর খান নতুন আইনের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
📰 বিস্তারিত
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় কমিশনকে আইনে 'স্বাধীন প্রতিষ্ঠান' হিসেবে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে তার স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পার্থ শঙ্কর সাহা তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করেছেন, শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে কমিশনকে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করতে হবে। এর ফলে কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে।
১০ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া আইনের খসড়াটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১৯ ধারায় শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের জন্য বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে গিয়ে কমিশনকে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন চাইতে হবে, যা স্বাধীন তদন্তের ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হিসেবে কাজ করবে।
তবে খসড়ার ১৩ ধারায় সাধারণ অভিযোগের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা কিছুটা বিস্তৃত করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তা আমলে নেওয়া হবে কি না, সিদ্ধান্ত দিতে হবে। তদন্ত কর্মকর্তা তিন মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করবেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা বা তদন্ত প্রতিবেদন আদালত কিংবা উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানে পাঠানো যাবে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে কমিশন।
মানবাধিকারকর্মী মো. নূর খান প্রথম আলোকে বলেছেন, 'এ আইনে আমাদের প্রত্যাশা পূরণে ঘাটতি থেকে যাবে। শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের এখতিয়ার না রাখায় মানবাধিকারের মৌলিক চেতনাই অগ্রাহ্য হবে।'
'আইনের অন্য বিধানে যা-ই থাকুক না কেন, শৃঙ্খলা বাহিনীর ক্ষেত্রে এই বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।'
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পার্থ শঙ্কর সাহা, মো. নূর খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ আগস্ট, ১৯ ধারা, ১৩ ধারা, ১৫ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!