📌 ভারত ও উগান্ডার আদলে বাংলাদেশে চালু হয়েছে ‘ঘুষ.সাইট’ নামের একটি ওয়েবসাইট, যেখানে নাগরিকেরা সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ জানাতে পারবেন। পাঁচ দিনে তিন হাজার ৮০০-এর বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৬৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা
বাংলাদেশে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ জানানোর জন্য চালু হয়েছে ‘ঘুষ.সাইট’ নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে নাগরিকেরা কোন দপ্তরে, কী সেবার জন্য কত টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছে, তা জানাতে পারবেন। অভিযোগের সঙ্গে দপ্তরের নাম, সেবার ধরন, এলাকা ও ঘুষের পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাঁচ দিনে তিন হাজার ৮০০-এর বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে ‘ঘুষ.সাইটে’
- 📌 অভিযোগে দাবিকৃত ঘুষের পরিমাণ প্রায় ৬৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা
- 📌 ওয়েবসাইটটির উদ্দেশ্য ঘুষের অভিযোগ সংগ্রহের পাশাপাশি প্রবণতা বিশ্লেষণ করা
- 📌 ভারতে ‘আই পেইড আ ব্রাইব’ নামের অনুরূপ উদ্যোগ চালু হয়েছিল ২০১০ সালে
- 📌 উগান্ডা, কেনিয়া ও নাইজেরিয়াতেও একই ধরনের প্ল্যাটফর্ম চালু হয়েছে
📰 বিস্তারিত
‘ঘুষ.সাইট’ নামের এই ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে নাগরিকেরা সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগের সঙ্গে দপ্তরের নাম, সেবার ধরন, এলাকা ও ঘুষের পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের পরিণতি সম্পর্কেও তথ্য দেওয়া যাবে। ওয়েবসাইটটির উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এর মূল উদ্দেশ্য শুধু অভিযোগ সংগ্রহ নয়; বরং ঘুষের ধরন ও প্রবণতা সম্পর্কে নাগরিকদের ধারণা দেওয়া।
ভারতের ‘আই পেইড আ ব্রাইব’ নামের একটি অনুরূপ উদ্যোগ চালু হয়েছিল ২০১০ সালে। জনাগ্রহ সেন্টার ফর সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ডেমোক্রেসির উদ্যোগে চালু হওয়া এই ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে নাগরিকেরা সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়ার অভিজ্ঞতা জানাতে পারতেন। ভারতের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের মধ্যে সাইটটিতে দেড় কোটির বেশি ভিজিট এবং ৩৬ হাজারের বেশি ঘুষের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল।
উগান্ডা, কেনিয়া ও নাইজেরিয়াতেও একই ধরনের প্ল্যাটফর্ম চালু হয়েছে। উগান্ডায় অ্যাকশনএইড ইন্টারন্যাশনাল ‘আই পেইড আ ব্রাইব’ নামে একটি ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ চালু করে। কেনিয়ায় ‘হাতারি’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম চালু হয়েছিল ২০১১ সালে। সিয়েরা লিওনেও দুর্নীতি দমন কমিশন ‘পে নো ব্রাইব’ নামে একটি উদ্যোগ চালু করেছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রমেশ রামানাথন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন হাজার ৮০০-এর বেশি অভিযোগ, ৬৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!