📌 জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কারাগারে থাকা সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপার সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁদের কাছে আদেশ পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কারাগারে থাকা সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপার সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ দিয়েছে। তাঁদের ঠিকানায় নোটিশ পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কারাগারের জেল সুপারের মাধ্যমে আদেশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদকের আদেশ অনুযায়ী শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে হবে
- 📌 শাকিল আহমেদ কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং ফারজানা রুপা মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন
- 📌 আদেশে তাঁদের নিজেদের, স্বামী/স্ত্রীর এবং নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ দিতে বলা হয়েছে
- 📌 সম্পদ বিবরণী না দিলে বা মিথ্যা তথ্য দিলে দুদক আইনের ২৬(২) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়
📰 বিস্তারিত
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, আগের কমিশনের অনুমোদন অনুযায়ী শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপার সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ তাঁদের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল। তবে পরে জানা যায়, তাঁরা পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। ফলে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁদের কাছে আদেশ পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুদকের নথি অনুযায়ী, শাকিল আহমেদের জন্য সম্পদ বিবরণীর ফরম নম্বর ০০৭২১৩ এবং ফারজানা রুপার জন্য ০০৭২১৪ নির্ধারণ করা হয়েছে। আদেশ অনুযায়ী, তাঁদের নিজেদের নামে থাকা সম্পদের পাশাপাশি স্বামী বা স্ত্রীর এবং নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে থাকা সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দিতে হবে। একই সঙ্গে দায়দেনা, আয়ের উৎস এবং সম্পদ অর্জনের পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
দুদকের নথিতে উল্লেখ রয়েছে, শাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে নিজের, স্ত্রীর এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদের তথ্য দিতে হবে। অন্যদিকে ফারজানা রুপার বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে নিজের, স্বামীর এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদের তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
"প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে কমিশনের ‘স্থির বিশ্বাস’ হয়েছে যে তিনি জ্ঞাত আয়ের বাইরে নিজের নামে বা বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কাশিমপুর, মুন্সিগঞ্জ জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাকিল আহমেদ, ফারজানা রুপা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ (কার্যদিবস), ২৬(১), ২৬(২)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!