📌 নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে তিতাস গ্যাসের অভিযানে তিনটি চুনা কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কারখানাগুলো ধ্বংস করা হয়। অভিযানে প্রতি ঘণ্টায় ১২ হাজার ঘনফুট অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের তথ্য উঠে এসেছে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় তিনটি চুনা কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কারখানাগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। আজ রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার সোনাখালী, প্রতাবেরচর ও পিরোজপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তিতাস গ্যাসের অভিযানে সোনারগাঁয়ের তিন চুনা কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে
- 📌 অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিল
- 📌 কারখানাগুলো ঘণ্টায় ১২ হাজার ঘনফুট অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করত
- 📌 অভিযানে তিতাসের ব্যবস্থাপক সুরজিত কুমার সাহাসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
📰 বিস্তারিত
তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনাঘাট অঞ্চলের ব্যবস্থাপক সুরজিত কুমার সাহা জানান, কিছু অসাধু ব্যক্তি সরকারি দলের নেতাকর্মী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে চুনা কারখানা স্থাপন করে। এসব কারখানায় প্রতি ঘণ্টায় ১২ হাজার ঘনফুট অবৈধ গ্যাস ব্যবহৃত হতো বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর ফলে সরকার প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিল। অভিযানের সময় তিতাস গ্যাসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তৌফিকুর রহমান ও জহুরুল ইসলামসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে অবৈধ গ্যাস সংযোগে ব্যবহৃত পাইপ, রাইজার ও বার্নার জব্দ করা হয়।
তিতাস গ্যাস সূত্রে জানা যায়, অভিযানের পর এক্সকাভেটর দিয়ে চুনা কারখানাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে তিতাসের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ব্যবস্থাপক সুরজিত কুমার সাহা।
"অবৈধ গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করার প্রবণতা রোধে তিতাসের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ব্যবস্থাপক সুরজিত কুমার সাহা, ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি কারখানা, ১২ হাজার ঘনফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!