📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাকিস্তানপ্রীতি ও ইতিহাসের ল্যাঞ্জা কাণ্ডে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করছে। ডাকসু নেতারা জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের কারণ হিসেবে ভাষা আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেছেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি ইতিহাসের ল্যাঞ্জা লুকানোর চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি অমর্যাদাকর ঘটনা ঘটেছে যা শিক্ষার্থীদের সারা জীবন লজ্জার স্মৃতিতে রাখবে। ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাকিস্তানপ্রীতি ও ইতিহাসের ল্যাঞ্জা কাণ্ডের পেছনে গভীর প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিক মাসুদ কামালের 'ল্যাঞ্জা' শব্দটি ব্যবহার করে লেখক এই ঘটনাকে বর্ণনা করেছেন, যেখানে পাকিস্তানি ভূতের ল্যাঞ্জা বাংলাদেশের মূল স্পিরিটকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর তিনটি ছবি প্রদর্শিত হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবাদ সৃষ্টি করেছে।
- 📌 ডাকসু সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ দাবি করেছেন, জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে ভাষা আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরার জন্য, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি ইতিহাসের ল্যাঞ্জা লুকানোর চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
- 📌 সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে মুখর হয়েছে এবং বলেছেন, পাকিস্তানপ্রেমী হয়ে উঠা ডাকসুকে ইতিহাসের সত্য রক্ষার দায়িত্ব ছিল।
- 📌 জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের পেছনে লুকিয়ে থাকা উদ্দেশ্য হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অসম্মানিত করার চেষ্টা।
📰 বিস্তারিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের ঘটনাটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ডাকসু নেতারা এই পদক্ষেপের কারণ হিসেবে ভাষা আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরার কথা বলেছেন। তবে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি ইতিহাসের ল্যাঞ্জা লুকানোর চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেছেন, পাকিস্তানপ্রেমী হয়ে উঠা ডাকসুকে ইতিহাসের সত্য রক্ষার দায়িত্ব ছিল।
ডাকসু সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ দাবি করেছেন, জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে ভাষা আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরার জন্য। তিনি বলেছেন, জিন্নাহর বাংলা ভাষাবিরোধী বক্তব্য সংগ্রহশালায় প্রদর্শন করা হয়েছে। তবে, এই দাবি সত্য কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, জিন্নাহর তিনটি ছবি পাশাপাশি রাখলে মানুষ বুঝতে পারবে যে, এই পদক্ষেপের পেছনে লুকিয়ে থাকা উদ্দেশ্য কী।
এই ঘটনায় সাংবাদিক মাসুদ কামালের 'ল্যাঞ্জা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা পাকিস্তানি ভূতের ল্যাঞ্জা বাংলাদেশের মূল স্পিরিটকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে। লেখক বলেছেন, পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কটাক্ষ করার জন্য এই লেখা নয়, কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় নেতাদের উপেক্ষা করে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী বীরদের অবজ্ঞা করা হয়েছে।
"বাংলাদেশ নামক দেশটি টিকে আছে এবং পাকিস্তানি ল্যাঞ্জা এসে মাঝে মাঝে উৎপাত করলেও মুক্তিযুদ্ধের শক্তি এই ল্যাঞ্জা সংস্কৃতিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া করে ছাড়বে। যাদের শরীরে এই ল্যাঞ্জা দেখা যাবে, তারাই পরিত্যাজ্য হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সংগ্রহশালা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম ফরহাদ (ডাকসু সাধারণ সম্পাদক), মাসুদ কামাল (সাংবাদিক), মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি ছবি (জিন্নাহর), ৭৩ জন (শিক্ষার্থী প্রতিবাদকারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!