📌 অভিজাত এলাকায় অবস্থিত একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে অনুসন্ধান চালিয়ে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। দুই লাখ টাকা অগ্রিম দিলেই মিলছে ভর্তির ব্যবস্থা, যেখানে নেই কোনো ডোপ টেস্ট। অভ্যন্তরীণ নিয়মে রোগীদের উপর চলে অমানবিক নির্যাতন ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মহোৎসব
রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবস্থিত একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে বেরিয়ে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। যেখানে দুই লাখ টাকা অগ্রিম দিলেই মিলছে ভর্তির ব্যবস্থা, অথচ নিয়মানুযায়ী ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হলেও তা মানা হচ্ছে না। অভ্যন্তরীণ নিয়মে রোগীদের উপর চলে অমানবিক নির্যাতন, অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং মাদক ব্যবসার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ‘বীকন পয়েন্ট’ নামের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে অনুসন্ধান চালিয়ে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- 📌 দুই লাখ টাকা অগ্রিম দিলেই মিলছে ভর্তির ব্যবস্থা, যেখানে নিয়মানুযায়ী ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হলেও তা মানা হচ্ছে না
- 📌 অভ্যন্তরীণ নিয়মে রোগীদের উপর চলে অমানবিক নির্যাতন, অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং মাদক ব্যবসার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড
- 📌 অনুসন্ধান দলের সদস্যরা রোগী সেজে কেন্দ্রে প্রবেশ করলে দেখা যায়, কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই শুরু হয় চিকিৎসা
- 📌 কেন্দ্রের অভ্যন্তরে রোগীদের উপর চলে ধূমপানসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন, যেখানে খাবারের মানও ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের
📰 বিস্তারিত
অভিজাত এলাকায় অবস্থিত একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে বেরিয়ে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। যেখানে দুই লাখ টাকা অগ্রিম দিলেই মিলছে ভর্তির ব্যবস্থা, অথচ নিয়মানুযায়ী ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হলেও তা মানা হচ্ছে না। অভ্যন্তরীণ নিয়মে রোগীদের উপর চলে অমানবিক নির্যাতন, অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং মাদক ব্যবসার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।
রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ‘বীকন পয়েন্ট’ নামের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে অনুসন্ধান চালিয়ে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অনুসন্ধান দলের সদস্যরা রোগী সেজে কেন্দ্রে প্রবেশ করলে দেখা যায়, কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই শুরু হয় চিকিৎসা। কেন্দ্রের অভ্যন্তরে রোগীদের উপর চলে ধূমপানসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন, যেখানে খাবারের মানও ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের।
অনুসন্ধান দলের প্রধানসহ তিন সদস্য গুলশানের ২৩/এ সড়কের চার নম্বর হোল্ডিংয়ে অবস্থিত কেন্দ্রটিতে প্রবেশ করেন। সেখানে ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টিত রেড জোনে প্রবেশ করানো হয় অনুসন্ধান দলকে। যেখানে বাইরের আলো-বাতাস প্রবেশের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এমন বদ্ধ পরিবেশে থাকার পর উৎকট গন্ধে গা গুলিয়ে ওঠে অনুসন্ধান দলের সদস্যদের।
"কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই শুরু হয় চিকিৎসা। নাম না জানা কয়েকটি ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুল খেতে বাধ্য করা হয়। এমনকি ধূমপানের মহা আয়োজনও চলে কেন্দ্রের অভ্যন্তরে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদুর রহমান (কথিত কাউন্সেলর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ টাকা (ভর্তি ফি), ২০ হাজার টাকা (দৈনিক খরচ), ৩ মাস (চিকিৎসা সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!