📌 ঢাকায় এক চিকিৎসককে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা প্রহার করে বিদ্রুপাত্মক বার্তা পাঠিয়েছে। ঘটনাটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে
ঢাকার শান্তিনগরে অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে থেকে রাতে বাড়ি ফেরার সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানকে একদল সন্ত্রাসী প্রহার করেছে। ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, সন্ত্রাসীরা তাঁর কাছ থেকে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠিয়েছিল। প্রহারের পর তারা তাঁকে বিদ্রুপাত্মক বার্তা পাঠায়, ‘এখন কেমন লাগে?’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানকে সন্ত্রাসীরা প্রহার করেছে
- 📌 ঘটনার সময় তিনি শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মোহাম্মদপুরের বাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিলেন
- 📌 সন্ত্রাসীরা তাঁর কাছ থেকে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠিয়েছিল
- 📌 প্রহারের পর সন্ত্রাসীরা বিদ্রুপাত্মক বার্তা পাঠায়, ‘এখন কেমন লাগে?’
- 📌 ঘটনাটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার রাতে রাজধানীর শান্তিনগরে অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে থেকে চিকিৎসক অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানকে একদল সন্ত্রাসী প্রহার করে। ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, সন্ত্রাসীরা তাঁর কাছ থেকে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠিয়েছিল। প্রহারের পর তারা তাঁকে বিদ্রুপাত্মক বার্তা পাঠায়, ‘এখন কেমন লাগে?’।
ঘটনাটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশটা কি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে? থানা-পুলিশ কি অচিরেই অবান্তর হয়ে পড়বে? সন্ত্রাসীরা নিজেদেরকে রবিনহুড হিসেবে উপস্থাপন করলেও তাদের উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা যে কোনো মূল্যে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়নি।
অধ্যাপক আসাদুর রহমানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীরা অসৎ ও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে অভিযোগ করেছে। তবে তাদের এই অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই। যদি সত্যিই তিনি অসৎ হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে যেতে পারত তারা। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
"এখন কেমন লাগে?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শান্তিনগর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!