📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুলশান-বনানী লেক পুনরুদ্ধারে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ ডিএনসিসি প্রশাসকের

গুলশান-বনানী লেক পুনরুদ্ধারে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ ডিএনসিসি প্রশাসকের

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পয়োবর্জ্যের সংযোগ লাইনের কারণে দূষিত গুলশান-বনানী লেককে পরিবেশবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক। রি-ওয়েট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এমন অভিমত ব্যক্ত করেন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন গুলশান-বনানী লেকের মতো জলাশয়কে পরিবেশবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার অভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজধানীর গুলশান-বনানী লেক প্রতিনিয়ত পয়োবর্জ্যের সংযোগ লাইনের কারণে দূষণের শিকার হচ্ছে
  • 📌 ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন
  • 📌 'রি-ওয়েট' প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন
  • 📌 প্রকল্পটির মাধ্যমে শহুরে জলাভূমির পরিবেশগত, সামাজিক ও কমিউনিটি-ভিত্তিক সমস্যাগুলো সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে
  • 📌 প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৫০ ফুট দীর্ঘ একটি সেমি-সার্কুলার বাঁশের কাঠামো তৈরি করে ২৩ ধরনের টুলকিট পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত 'রি-ওয়েট' প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, গুলশান-বনানী লেকের মতো জলাশয়কে পরিবেশবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। অনেক সময় বিভিন্ন সংস্থা সভায় উপস্থিত থাকে না কিংবা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যায় না। ফলে পরিকল্পনা নেওয়ার পর তা বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়।

শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জলাশয়গুলোর পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, রি-ওয়েট প্রকল্পটি স্থানীয় মানুষের জীবনযাপন ও প্রকৃতিনির্ভর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের দৈনন্দিন জীবন, জীবিকা ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃতি ও জলাভূমির ওপর নির্ভরশীল।

রি-ওয়েট প্রকল্পের কো-লিড ইফাদুল হক বলেন, প্রকল্পটি একটি এভিডেন্স-বেজড আরবান ওয়েটল্যান্ড রেস্টোরেশন মডেল। এর মাধ্যমে শহুরে জলাভূমির পরিবেশগত, সামাজিক ও কমিউনিটি-ভিত্তিক সমস্যাগুলো সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে। তিনি রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে প্রকল্পের ডেমোনস্ট্রেশন গ্রাউন্ড বা ‘ঘের’-এর উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সেখানে প্রায় ১৫০ ফুট দীর্ঘ একটি সেমি-সার্কুলার বাঁশের কাঠামো তৈরি করে ২৩ ধরনের টুলকিট পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

"রি-ওয়েট প্রকল্পের মাধ্যমে গুলশান-বনানীতে আবারও প্রাণ-প্রকৃতি ফিরে এসেছে। এতে জলাশয়টির পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ করা গেলে রি-ওয়েট সারা দেশের জন্য একটি কার্যকর মডেল হয়ে উঠতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ ফুট, ২৩ ধরনের

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖