📌 কক্সবাজার রুটে সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ বর্ধিত করে ৫ জেলার অধিবাসীরা প্রথমবারের মতো সরাসরি ট্রেনে চেপে কক্সবাজারে যাতায়াত করবেন। সোমবার থেকে এই সেবা শুরু হবে
কক্সবাজার যাতায়াতের নতুন মাইলফলক গড়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগর এক্সপ্রেসের (৭২১/৭২২) যাত্রাপথ সম্প্রসারণের মাধ্যমে নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনী জেলার অধিবাসীরা প্রথমবারের মতো সরাসরি ট্রেনে চেপে কক্সবাজারে পৌঁছাতে পারবেন। সোমবার থেকে এই নতুন রুটের যাত্রা শুরু হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ জেলার মানুষ সরাসরি ট্রেনে চেপে কক্সবাজারে যাতায়াতের সুযোগ পাচ্ছেন — নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনী
- 📌 ৭২১ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে রওনা হয়ে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে
- 📌 ৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সকাল ৬টায় কক্সবাজারে পৌঁছাবে
- 📌 মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সোমবার সন্ধ্যায় কমলাপুর স্টেশনে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন
- 📌 ট্রেনের একক রেক পরিচালনার কারণে সময়সূচি ধরে রাখা কঠিন হতে পারে — শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা
📰 বিস্তারিত
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এই নতুন রুটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এতে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ৭২১ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে রওনা হয়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। সেখানে ২০ মিনিটের যাত্রাবিরতি শেষে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়ে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে কমলাপুর পৌঁছাবে। অন্যদিকে, ৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। চট্টগ্রাম থেকে রাত ৩টায় পুনরায় ছেড়ে সকাল ৬টায় ট্রেনটি কক্সবাজার পৌঁছাবে।
৭০০-এর বেশি আসনসম্পন্ন এই ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি রাখা হয়েছে রবিবার। যাত্রীদের মধ্যে এই নতুন সেবার জন্য ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। ট্রেনটির বর্ধিত চলাচলের টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার সাথে সাথে নিমেষেই শেষ হয়ে যায়। যাত্রীরা বলছেন, আগে চট্টগ্রাম গিয়ে পুনরায় বাস বা অন্য ট্রেনে কক্সবাজার যেতে হতো, নতুন এই সিদ্ধান্তে সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় হবে। তবে শিডিউল বিপর্যয় বা নির্ধারিত সময় রক্ষা করা নিয়ে একধরনের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। কারণ ট্রেনটি মাত্র একটি ‘রেক’ দিয়ে পরিচালিত হবে। ঢাকা ও কক্সবাজারে ইঞ্জিন পরিবর্তন এবং ধোয়ামোছার কাজের জন্য মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় পাওয়া যাবে। এর মাঝে যাত্রাপথে কোনো কারণে বিলম্ব হলে নির্ধারিত সময়সূচি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
মন্তব্য করা যায়, নতুন উদ্বোধনী যাত্রার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সোমবারের চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের নিয়মিত যাত্রাটি বাতিল করে ট্রেনের খালি রেক রবিবার রাতেই ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছিল।
"আগে চট্টগ্রাম গিয়ে পুনরায় বাস বা অন্য ট্রেনে কক্সবাজার যেতে হতো, নতুন এই সিদ্ধান্তে সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (কমলাপুর), চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ রবিউল আলম (মন্ত্রী), হাবিবুর রশিদ (প্রতিমন্ত্রী), যাত্রীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জেলা, ৭২১/৭২২ নম্বর ট্রেন, ৭০০+ আসন, ৯:০০, ১২:৩০, ৬:৩০, ৮:৩০, ৬:০০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!