📌 ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ই-রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। নিবন্ধনের জন্য আবেদন থেকে নম্বর প্লেট পর্যন্ত সকল নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে
ঢাকা শহরে ই-রিকশা চালানোর জন্য সরকার নতুন নীতিমালা জারি করেছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া ই-রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার এই নীতিমালা প্রকাশ করেছে, যা সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী সব ই-রিকশার জন্য প্রযোজ্য হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা শহরে লাইসেন্স ছাড়া ই-রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে
- 📌 নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীকে কর্তৃপক্ষের কাছে ফিসহ কাগজপত্র দাখিল করতে হবে
- 📌 নিবন্ধনের মেয়াদ পাঁচ বছর, প্রতিটি ই-রিকশার জন্য ইউনিক কিউআর কোডযুক্ত নম্বর প্লেট দিতে হবে
- 📌 ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে বা প্রধান বাস চলাচলের সড়কে চলতে পারবে না
- 📌 স্কুল, হাসপাতাল বা জনবহুল স্থানে সর্বোচ্চ গতি ১৫ কিলোমিটার
- 📌 ই-রিকশায় ৪০ ডেসিবেলের অধিক শব্দে হর্ন ব্যবহার নিষিদ্ধ
- 📌 ই-রিকশা চালক মুঠোফোন ব্যবহার করতে পারবেন না
📰 বিস্তারিত
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ই-রিকশা নিবন্ধনের জন্য ব্যক্তিকে কর্তৃপক্ষের কাছে ফিসহ কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে এবং সন্তুষ্ট হলে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন করা হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ পাঁচ বছর এবং প্রতিটি ই-রিকশার জন্য ইউনিক কিউআর কোডযুক্ত নম্বর প্লেট প্রদান করা হবে। এই নম্বর প্লেট ই-রিকশার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। তবে এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না। বুয়েট নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন হবে না।
নীতিমালা অনুযায়ী, ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা প্রধান বাস চলাচলের সড়কে চলাচল করতে পারবে না। ফুটপাতেও ই-রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ। ই-রিকশাচালক সব সময় সড়কের বাঁ লেন অনুসরণ করতে হবে এবং মুঠোফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।
ই-রিকশায় চালক ছাড়া সর্বোচ্চ দুই বা চারজনের বেশি যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ছাড়া অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা যাবে না। স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় বা জনবহুল স্থানে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।
"নীতিমালা অনুযায়ী, ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে বা প্রধান বাস চলাচলের সড়কে চলতে পারবে না। ফুটপাতেও চলাচল নিষিদ্ধ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ দিন (নিবন্ধন সময়সীমা), ১০ দিন (আপিল সময়সীমা), ১২ বছর (ইকোনমিক লাইফটাইম), ৪০ ডেসিবেল (হর্ন শব্দসীমা), ১৫ কিলোমিটার (সর্বোচ্চ গতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!