📌 ধানমন্ডির নজরুল ইনস্টিটিউটে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় শতাধিক শিশু-কিশোর অংশ নিয়ে দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তিন বিভাগে ১২ জন বিজয়ীসহ সব অংশগ্রহণকারীর হাতে তুলে দেওয়া হয় সনদ
ধানমন্ডির নজরুল ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণ সকাল থেকেই উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল। শতাধিক শিশু-কিশোরের তুলির আঁচড়ে ক্যানভাসে ফুটে উঠল দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন। রাজধানীর ধানমন্ডিতে স্বাধীনতা সাংস্কৃতিক পরিষদ ও স্বাধীনতা চারুশিল্পী পরিষদের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘সম্প্রীতি ও স্বাধীনতা’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘পদ্মা বিভাগে’ প্রথম ওয়াজিহা হাসান, দ্বিতীয় ইয়াস রহমান, তৃতীয় মেহরিমা নওমী ও চতুর্থ সম্প্রীতা রায়
- 📌 ‘মেঘনা বিভাগে’ প্রথম কামরুন নাহার, দ্বিতীয় নাজিয়া মেহজাবীন, তৃতীয় তাসফিয়া মহিব ও চতুর্থ প্রকৃতি চৌধুরী
- 📌 ‘যমুনা বিভাগে’ প্রথম তাজকবা ফেরদৌস জল, দ্বিতীয় মিফতাহুল ইসলাম, তৃতীয় শেখ নাজ্জাশীজামান ও চতুর্থ আরাফাত ইসলাম
- 📌 প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল বয়সভিত্তিক তিন বিভাগে শিক্ষার্থীরা
📰 বিস্তারিত
শিশুদের মানসিক বিকাশ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল শতাধিক শিশু-কিশোর। রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত নজরুল ইনস্টিটিউটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী অধ্যাপক জামাল আহমেদ। তিনি খুদে শিল্পীদের উদ্দেশ্যে দেশ ও মানুষকে ভালোবেসে ছবি আঁকার আহ্বান জানান।
প্রতিযোগিতা তিনটি বিভাগে বিভক্ত ছিল। ‘পদ্মা বিভাগে’ শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ‘আমাদের নদী’ বিষয়ে ছবি আঁকে। ‘মেঘনা বিভাগে’ চতুর্থ থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ‘স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি’ বিষয়ে অংশগ্রহণ করে। আর ‘যমুনা বিভাগে’ অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ‘চেতনায় বাংলাদেশ’ বিষয়ে প্রতিযোগিতা করে।
প্রতিযোগিতা শেষে তিন বিভাগে মোট ১২ জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সব শিশু-কিশোরের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা সাংস্কৃতিক পরিষদের আহ্বায়ক ও স্বাধীনতা চারুশিল্পী পরিষদের সদস্যসচিব শিল্পী আশরাফুল আলম বলেন, শিশুদের মধ্যে সম্প্রীতি ও স্বাধীনতার চেতনা জাগ্রত করতেই এই আয়োজন।
"শিশুদের মানসিক বিকাশের পাশাপাশি তাদের মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং আমাদের মহান স্বাধীনতার ইতিহাস বিষয়ে সচেতন করতে তাঁদের এই আয়োজন। এতে অংশগ্রহণের জন্য তিনি শিশু-কিশোরদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক জামাল আহমেদ, শিল্পী আশরাফুল আলম
- 🔢 বিজয়ীর সংখ্যা: ১২ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!