📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা-চট্টগ্রামে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বিপর্যয়: সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকেও ছেড়ে যায় বিদ্যুৎ

ঢাকা-চট্টগ্রামে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বিপর্যয়: সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকেও ছেড়ে যায় বিদ্যুৎ

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ গুলশান, খিলগাঁও, মহাখালী ও চট্টগ্রামের কিছু অংশ বিদ্যুৎহীন হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরে এসেছে, বাকি এলাকাগুলোতে খুব শীঘ্রই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বড় এলাকায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাসহ চট্টগ্রামের কিছু অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সচিবালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ গুলশান, বনশ্রী, খিলগাঁও, মহাখালী, মতিঝিল, মগবাজার, রামপুরা, উলন, ভুলতা, হরিপুর ও সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকাসহ ঢাকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ চলে যায়। চট্টগ্রামের কিছু অংশ এবং নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকাও বিদ্যুৎহীন হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাসহ চট্টগ্রাম ও নরসিংদীর কিছু অংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে।
  • 📌 সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ গুলশান, খিলগাঁও, মহাখালী, মতিঝিল, মগবাজার, রামপুরা, উলন, ভুলতা, হরিপুর ও সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়।
  • 📌 বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকার সংযোগ স্বাভাবিক করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলোতেও খুব কম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
  • 📌 বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করেননি যে, কী ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিপর্যয় ঘটেছে।
  • 📌 ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের বড় অংশ প্রায় আট ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল।
  • 📌 ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে সারা দেশে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১টার দিকে ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাসহ চট্টগ্রামের কিছু অংশে বিদ্যুৎ চলে যায়। এই বিপর্যয়ের কারণে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎহীন হয়। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন, মহাখালী, মতিঝিল, মগবাজার, বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকাসহ চট্টগ্রামের কিছু অংশ এবং নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকাতেও একই সময়ে বিদ্যুৎ চলে যায়।

বেলা আড়াইটার দিকে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরতে শুরু করে। বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা হয়েছে। তবে ঠিক কী ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।

এটি ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের পর থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের বড় অংশে ঘটা দ্বিতীয় বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয়। ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে সারা দেশে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

"ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকার সংযোগ স্বাভাবিক করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলোতেও খুব কম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (গুলশান, খিলগাঁও, মহাখালী, মতিঝিল, মগবাজার, রামপুরা, উলন, ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ), চট্টগ্রাম (কিছু অংশ), নরসিংদী (কিছু এলাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.০০ টা (টার), ৪.০০ (অক্টোবর), ১.০০ (নভেম্বর), ১২.০০ (ঘণ্টা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖