📌 ঘুষ গ্রহণ ও অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুদণ্ড আরোপ করা হয়
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে জারি করা তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে ঘুষ গ্রহণ, অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং পলাতক থাকার অভিযোগে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনগুলোয় স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে রাজশাহী মহানগর পুলিশের সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রোকনুজ্জামানকে চাকরি থেকে অপসারণ
- 📌 অস্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে পুলিশ স্টাফ কলেজের কর্মরত এএসপি মো. হাবিবুল্লাহ দালালকে বরখাস্ত
- 📌 অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. রাশেদুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত
- 📌 তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান ২০১৫ সালে রাজশাহী মহানগর পুলিশে কর্মরত থাকাকালে কামরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৭ লাখ টাকা দাবি করেন। এর মধ্যে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের হিসাবে আড়াই লাখ টাকা এবং বিকাশের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা গ্রহণ করেন তিনি। পরবর্তীতে চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে তিনি ৫ লাখ ৫২ হাজার ১৬৩ টাকা ফেরত দেন। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘দুর্নীতিপরায়ণতা’ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্ম কমিশন তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণের সুপারিশ করে।
অপরদিকে, পুলিশ স্টাফ কলেজের কর্মরত এএসপি মো. হাবিবুল্লাহ দালাল ২০২৫ সালের ২২ থেকে ২৫ জানুয়ারি ছুটি ভোগ শেষে কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে যান। তাঁর অননুমোদিত অনুপস্থিতি ৬০ দিনের বেশি হওয়ায় বিভাগীয় মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। একইভাবে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধেও বিভাগীয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
"তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গুরুদণ্ড হিসেবে তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এসব ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, বরিশাল, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. হাবিবুল্লাহ দালাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন কর্মকর্তা, ১৭ লাখ টাকা, ৫ লাখ ৫২ হাজার ১৬৩ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!