📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকায় আট অঞ্চলে আলাদা রঙের ই-রিকশা চালু: লাইসেন্স বাধ্যতামূলক নয়, নিবন্ধন থেকে শুরু হবে সোমবার

ঢাকায় আট অঞ্চলে আলাদা রঙের ই-রিকশা চালু: লাইসেন্স বাধ্যতামূলক নয়, নিবন্ধন থেকে শুরু হবে সোমবার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকাকে আট অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদা রঙের ই-রিকশা চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সোমবার থেকে ১৩টি সিটি করপোরেশনে নিবন্ধন শুরু হবে, তবে চালকদের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়নি

ঢাকার রাস্তায় ব্যাটারি চালিত ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘোষণা করেছেন, রাজধানীকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদা রঙের ই-রিকশা চালু করা হবে। এছাড়াও, সোমবার থেকে ১৩টি সিটি করপোরেশন নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করবে। তবে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকাকে আট অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদা রঙের ই-রিকশা চালু করা হবে
  • 📌 সোমবার থেকে ১৩টি সিটি করপোরেশন নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করবে
  • 📌 চালকদের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়নি, আপাতত পরিচয়পত্র দেওয়া হবে
  • 📌 দুই যাত্রীর ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা, চার যাত্রীর জন্য ১০ হাজার টাকা
  • 📌 প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক
  • 📌 বর্তমান ই-রিকশাগুলো বুয়েটের নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করে নিবন্ধন করতে হবে
  • 📌 একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করতে পারবেন
  • 📌 নিবন্ধনের মেয়াদ ১২ বছর, এরপর নিবন্ধন বাতিল হবে

📰 বিস্তারিত

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আজ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকাকে চারটি করে মোট আটটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদা রঙ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, কোনো অঞ্চলে কতটি ই-রিকশা চলবে তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ আলোচনা করে নির্ধারণ করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন বিধিমালা অনুসারে রাস্তায় চলাচলকারী সব ই-রিকশা সরিয়ে দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন দেওয়া এবং অবৈধ ই-রিকশা অপসারণ করা হবে। তিনি আশ্বাস দেন, বর্তমানে ই-রিকশা চালাচ্ছেন এমন চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

দুই যাত্রীর ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি চার হাজার টাকা। চার যাত্রীর ই-রিকশার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি দশ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা। প্রতিবছর ফিটনেস সনদ নিয়ে নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক নিবন্ধন ফি একবারই দিতে হবে, এরপর প্রতিবছর নবায়ন ফি দিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে চলাচলকারী ই-রিকশাগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ চলাচলের অঞ্চল, সড়ক, রং ও সংখ্যা চূড়ান্ত করবে। প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট দেওয়া হবে, যা রিকশার দৃশ্যমান স্থানে রাখতে হবে।

মীর শাহে আলম জানান, নতুন বিধিমালায় একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। একজন ব্যক্তি এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন মিলিয়ে মোট পাঁচটি রিকশা নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিবন্ধনের তারিখ থেকে একটি ই-রিকশার ব্যবহারযোগ্য মেয়াদ হবে ১২ বছর। মেয়াদ শেষে নম্বরপ্লেটসহ নিবন্ধন বাতিল হবে।

"আমরা নিবন্ধনের প্রক্রিয়াটা আগে শুরু করি। নিবন্ধন প্রক্রিয়ার কিছুদূর এগিয়ে গেলে এটার জন্য আলাদা একটা প্রজ্ঞাপন জারি করে তখন ড্রাইভিং লাইসেন্সে যাব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩টি সিটি করপোরেশন, আটটি অঞ্চল, ৮ হাজার টাকা (নিবন্ধন ফি), ১২ বছর (মেয়াদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖