📌 নওগাঁর আত্রাইয়ে ঋণের চাপে পড়ে বৃদ্ধা গিতা রাণী আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছেন তাঁর পরিবার। তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বলরামচক গ্রামে ঋণের চাপে পড়ে বৃদ্ধা গিতা রাণী আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছেন তাঁর পরিবার। তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর গতকাল বুধবার দুপুরে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশটি সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গিতা রাণী (৬৫) নামে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করেছেন পুলিশ
- 📌 তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর তাঁর লাশ পাওয়া যায়
- 📌 পরিবারের অভিযোগ, ঋণের চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছেন
- 📌 বৃদ্ধার পরিবার বিভিন্ন এনজিও ও সমিতি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন
- 📌 থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম জানান, ঋণের চাপে আত্মহত্যার সম্ভাবনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বলরামচক গ্রামের বাসিন্দা গিতা রাণী গত সোমবার সকালে নিখোঁজ হন। তাঁর পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পায়নি। গতকাল সকালে প্রতিবেশীরা তাঁর লাশ একটি পরিত্যক্ত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
গিতা রাণীর ছেলে মানিক কবিরাজ জানান, তাঁর মা-বাবা বিভিন্ন এনজিও এবং সমিতি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করতে না পারায় তাঁরা ঋণের চাপে ছিলেন। মানিক আরও জানান, তাঁর মা-বাবা কখনো কারও সঙ্গে বিরোধে জড়াতেন না, শুধুমাত্র টাকা লেনদেন নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন। তাঁর ধারণা, অতিরিক্ত ঋণের চাপে তাঁর মা আত্মহত্যা করেছেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, ঋণের চাপে গিতা রাণী আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।
"গিতা রাণীর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ঋণের চাপে ছিলেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বলরামচক, আত্রাই, নওগাঁ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গিতা রাণী (৬৫), মানিক কবিরাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!