📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের রিসোর্টে ১৯৩৮টি আইফোনসহ সাইবার স্ক্যাম ল্যাবের সন্ধান পুলিশ: ৩০০ বিদেশী আসামি

কক্সবাজারের রিসোর্টে ১৯৩৮টি আইফোনসহ সাইবার স্ক্যাম ল্যাবের সন্ধান পুলিশ: ৩০০ বিদেশী আসামি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের মেরিনা বিচ ভিলা রিসোর্টে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোনসহ কম্পিউটার সরঞ্জামের সন্ধান পুলিশ। পাঁচ চীনা ও এক তাইওয়ানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয় সাইবার সুরক্ষা আইনের অধীনে। পুলিশের দাবি, রিসোর্টে স্ক্যাম পরিচালনার ল্যাব তৈরি করা হয়েছিল

কক্সবাজারের একটি পর্যটন রিসোর্টের আড়ালে সাইবার স্ক্যাম পরিচালনার জন্য ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের সন্ধান পায় পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচ চীনা ও এক তাইওয়ানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং শুক্রবার আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই বিদেশী নাগরিকরা রিসোর্টে একটি কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করে অনলাইনভিত্তিক আর্থিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোনসহ ৫০টি মনিটর, ৪৪টি সিপিইউ, ৩০টি কি-বোর্ড, ৪০টি মাউস, ২টি ল্যাপটপ, ২টি প্রিন্টার, ২৪টি কানেকশন বোর্ডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয় কক্সবাজারের মেরিনা বিচ ভিলা রিসোর্টে।
  • 📌 পাঁচ চীনা ও এক তাইওয়ানি নাগরিককে সাইবার সুরক্ষা আইনের অধীনে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া আরও চারজন পলাতক এবং ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে।
  • 📌 চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে প্রবেশকারী এই বিদেশী নাগরিকরা রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে নিয়ন্ত্রণ পুলিশের দাবি, তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল স্ক্যাম পরিচালনা।
  • 📌 চীনা নাগরিক ঝান ইউয়ান ফান ‘বাবর আলী’ নাম ব্যবহার করে চারটি রিসোর্ট ভাড়া নিয়েছিলেন।
  • 📌 ২৫ আগস্টের অভিযানে পালিয়ে যাওয়ার পর আইফোনসহ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এছাড়া ১৫টি নোটবুক, একটি ডায়েরি, চারটি গ্রামীণফোন ও একটি রবি সিমও পাওয়া যায়।

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজারের হিমছড়ির মেরিনা বিচ ভিলা রিসোর্টে পুলিশের অভিযানে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের সন্ধান পায়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রিসোর্টের হলরুমে সারি সারি ডেস্কে রাখা ছিল ৫০টি মনিটর, ৪৪টি সিপিইউ এবং ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন। এছাড়া ল্যাপটপ, প্রিন্টার, কি-বোর্ড, মাউস, কানেকশন বোর্ডসহ নানা ইলেকট্রনিক সরঞ্জামও ছিল। রিসোর্টের আরেক অংশে ছয়টি সাউন্ডপ্রুফ কক্ষ তৈরি করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, পর্যটকদের থাকার জন্য ব্যবহৃত এই রিসোর্টের আড়ালে একটি কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে অনলাইনভিত্তিক আর্থিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ চীনা ও এক তাইওয়ানি নাগরিকের মধ্যে একজন চীনা নাগরিক ঝান ইউয়ান ফান ‘বাবর আলী’ নাম ব্যবহার করে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে চারটি রিসোর্ট ভাড়া নিয়েছিলেন। পুলিশের দাবি, রিসোর্টগুলো শুধু থাকার জন্য ব্যবহার করা হয়নি, পুরোনো ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন করে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো হয়েছিল। নিরাপত্তাকর্মী ও অন্যান্য জনবল নিয়োগসহ ব্যবস্থাপনার একটি বড় অংশও তাঁরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন।

মেরিনা বিচ ভিলা রিসোর্টের মহাব্যবস্থাপক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ‘নাম-পরিচয় থেকে শুরু করে রিসোর্ট ভাড়া নেওয়া পর্যন্ত সবকিছুতেই ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন বিদেশিরা। যেটা আমরা ধরতে পারিনি।’ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা গত ২৫ আগস্টের অভিযানে পালিয়ে যাওয়ার পর আইফোনসহ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। জব্দ তালিকা অনুযায়ী, সেখানে ১৫টি নোটবুক, একটি ডায়েরি, চারটি গ্রামীণফোন ও একটি রবি সিমও পাওয়া যায়।

"সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কৃত্রিম বাজার বিশ্লেষণ, ভুয়া প্রলোভন, এবং অনলাইনভিত্তিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজারের মেরিনা বিচ ভিলা রিসোর্ট, হিমছড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাঁচ চীনা ও এক তাইওয়ানি নাগরিক (ঝান ইউয়ান ফান ‘বাবর আলী’ সহ), পুলিশ, আবু বক্কর সিদ্দিক (মহাব্যবস্থাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৩৮টি আইফোন, ৫০টি মনিটর, ৪৪টি সিপিইউ, ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি, ২৫০-৩০০ জন বিদেশী নাগরিক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖