📌 কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে স্নানে নেমে নিখোঁজ দুই পর্যটকের মধ্যে ইব্রাহীম খানের মৃতদেহ প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়েছে। অন্যজন ইয়াছিন খানকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করা হলেও তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণি ও সুগন্ধা পয়েন্টের মাঝামাঝি এলাকায় গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই পর্যটকের মধ্যে ইব্রাহীম খানের মৃতদেহ প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়েছে। মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপ সৈকত থেকে শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সুলতান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পর্যটক ইব্রাহীম খানের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপ সৈকত থেকে
- 📌 নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর ভোর ৫টার দিকে মৃতদেহ ভেসে আসে
- 📌 ইব্রাহীম খান (২৯) ঢাকার কুড়িল চৌরাস্তার মাথা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন
- 📌 একই স্থানে স্নানে নেমে ইয়াছিন খানকেও উদ্ধার করা হয়, যিনি মৃত ঘোষিত হন
- 📌 দুজনই ছিলেন চাচাতো ভাই এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণি ও সুগন্ধা পয়েন্টের মাঝামাঝি এলাকায় সাগরে গোসলে নেমে দুই পর্যটক ইয়াছিন খান ও ইব্রাহীম খান ভেসে যান। এর মধ্যে ইয়াছিন খানকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সুলতান জানান, মৃতদেহ ভেসে আসার খবর পেয়ে পুলিশ তা উদ্ধার করে। পরে মৃতদেহটি পর্যটক ইব্রাহীম খানের বলে শনাক্ত করা হয়।
সৈকতের জেলা প্রশাসনের নিয়োজিত বিচকর্মিদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম জানান, গত ২২ ও ২৪ আগস্ট পর্যায়ক্রমে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১১০ জন কর্মী কক্সবাজারে আসেন। তিনি আরও জানান, দুজনই ছিলেন চাচাতো ভাই এবং একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
নিহত ইব্রাহীম খানের পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তরের জন্য আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
"গত বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে সাগরে গোসলে নেমে দুই পর্যটক ভেসে যান। এর মধ্যে ইয়াছিন খানকে উদ্ধার করা হলেও তিনি মৃত ঘোষিত হন। ইব্রাহীম খানের মৃতদেহ প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর ভেসে আসে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপ সৈকত, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইব্রাহীম খান (২৯), ইয়াছিন খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ৪০ ঘণ্টা, ১১০ জন কর্মী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!