📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রসুন খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি জানলে মিলবে বেশি উপকারিতা

রসুন খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি জানলে মিলবে বেশি উপকারিতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রসুনে অ্যালিসিন তৈরির প্রক্রিয়া নির্ভর করে এর কোষ ভাঙার পদ্ধতি ও সময়ের ওপর। পুরো কোয়া গিলে ফেলার চেয়ে থেঁতো বা মিহি করে কুচি করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। রান্না করা রসুনেও থাকে উপকারী যৌগ।

রসুন খাওয়ার প্রচলিত নিয়মের বাইরে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌগ ‘অ্যালিসিন’ তৈরির প্রক্রিয়া জানা থাকলে স্বাস্থ্য উপকারিতা আরও বাড়ানো সম্ভব। রসুনের কোষ থেঁতো, ক্রাশ বা চিবানোর ফলে ভেঙে গেলে অ্যালিইন ও অ্যালিইনেজ এনজাইম পরস্পরের সংস্পর্শে আসে এবং অ্যালিসিন তৈরি হয়। এই অ্যালিসিনের রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রসুন থেঁতো বা মিহি করে কুচি করলে বেশি কোষ ভাঙে এবং অ্যালিসিন তৈরির প্রক্রিয়া ভালোভাবে শুরু হয়
  • 📌 পুরো কোয়া গিলে ফেলার চেয়ে থেঁতো বা ক্রাশ করা বেশি কার্যকর বলে গবেষণায় প্রমাণিত
  • 📌 থেঁতো করার পর রসুন ঘরের তাপমাত্রায় প্রায় ৫ থেকে ১০ মিনিট রাখলে অ্যালিসিন তৈরির জন্য সময় পাওয়া যায়
  • 📌 রান্না করা রসুনেও অন্যান্য উপকারী সালফার-যৌগ থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে

📰 বিস্তারিত

রসুনে অ্যালিসিন নামক সক্রিয় সালফার-যৌগটি আগে থেকেই জমা থাকে না। রসুনের কোষ কাটা, থেঁতো বা চিবানোর ফলে ভেঙে গেলে এর ভেতরের অ্যালিইন ও অ্যালিইনেজ এনজাইম পরস্পরের সংস্পর্শে আসে এবং অ্যালিসিন তৈরি হয়। এই যৌগটির অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে রসুনের সব স্বাস্থ্যগত উপকার শুধু অ্যালিসিনের ওপর নির্ভর করে না; এতে আরও অনেক সালফার-যৌগ রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, পুরো কোয়া রান্না করার তুলনায় থেঁতো করা রসুনে বিভিন্ন জৈব সক্রিয় অর্গানোসালফার যৌগের পরিমাণ বেশি হতে পারে। রসুনকে থেঁতো, ক্রাশ বা মিহি করে কুচি করলে বেশি কোষ ভাঙে এবং অ্যালিইন ও অ্যালিইনেজ পরস্পরের সংস্পর্শে আসার সুযোগ বাড়ে। ফলে অ্যালিসিন তৈরির প্রক্রিয়াও ভালোভাবে শুরু হয়। স্লাইস করার তুলনায় ক্রাশ বা থেঁতো করা সাধারণত বেশি কার্যকর।

থেঁতো বা মিহি করে কুচি করার পর রসুন ঘরের তাপমাত্রায় কয়েক মিনিট রাখলে অ্যালিসিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাওয়া যায়। তবে এ সময়কে কোনো কঠোর নিয়ম হিসেবে না দেখে ব্যবহারিক পরামর্শ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। গবেষণায় তাপের আগে রসুনের কোষ ভাঙার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে। অ্যালিসিন উৎপাদন সর্বোচ্চ রাখতে চাইলে থেঁতো বা মিহি করা তাজা রসুন কাঁচা খাওয়াই সরাসরি উপায়।

"রসুন থেঁতো বা মিহি করে কুচি করার পর ঘরের তাপমাত্রায় কয়েক মিনিট অথ্যাৎ প্রায় ৫–১০ মিনিট রেখে দিলে অ্যালিইনেজ এনজাইমকে অ্যালিসিন তৈরির জন্য সময় দেওয়া হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশেষজ্ঞরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ থেকে ১০ মিনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖