📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দেবিদ্বারে রোহিঙ্গাদের অবৈধ জন্মসনদ প্রদানে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে এখনও ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি

দেবিদ্বারে রোহিঙ্গাদের অবৈধ জন্মসনদ প্রদানে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে এখনও ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লার দেবিদ্বারে তিন রোহিঙ্গাকে অবৈধ জন্মসনদ প্রদানের অভিযোগে জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের ২০ দিন পার হলেও অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে সরকারি চাল আত্মসাৎ ও উন্নয়নমূলক কাজে অনিয়মের।

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে তিনজন রোহিঙ্গাকে অবৈধভাবে বাংলাদেশি জন্মসনদ প্রদানের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পরও অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিউল আলম গত ৭ জুলাই জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুমিল্লার দেবিদ্বারের ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে তিনজন রোহিঙ্গাকে অবৈধ জন্মসনদ প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন রুহুল ও সচিব মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
  • 📌 তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় অখণ্ডতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
  • 📌 অভিযুক্তরা সরকারি চাল আত্মসাৎ, উন্নয়নমূলক কাজে অনিয়ম ও প্রতিবন্ধীকে মারধরের অভিযোগেও অভিযুক্ত।
  • 📌 প্রতিটি জন্মসনদ তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করা হতো বলে জানা গেছে।

📰 বিস্তারিত

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে অর্থের বিনিময়ে তিনজন রোহিঙ্গাকে অবৈধ জন্মসনদ প্রদানের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের ২০ দিন পার হলেও অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন রুহুল ও সচিব মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিউল আলম গত ৭ জুলাই জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সরকারি চাল আত্মসাৎ, উন্নয়নমূলক কাজে অনিয়ম ও প্রতিবন্ধীকে মারধরের মতো ঘটনা। এছাড়া অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন রুহুল ও সাবেক ইউপি সচিব নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনজন রোহিঙ্গা সদস্যকে জন্মসনদ প্রদানের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুসারে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সালাহ উদ্দিন রুহুল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ৯ লাখ টাকার বিনিময়ে তিনজন রোহিঙ্গাকে জন্মসনদ প্রদান করেছেন। অভিযুক্তরা দাবি করেছেন যে, তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের জন্মসনদগুলো তাদের সময়ে তৈরি হয়নি।

অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সচিব নজরুল ইসলাম দাবি করেন যে, তিনি ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটিতে ছিলেন। তার মতে, এই সময়ে তার পাসওয়ার্ডে উদ্যোক্তা আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া রাজীব কাজ করেছিলেন। অন্যদিকে, ইউপি উদ্যোক্তা আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া দাবি করেন যে, তিনি কখনো নিবন্ধনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেননি।

"তদন্ত কর্মকর্তার নিকট ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সচিব নজরুল ইসলাম নিজেই বলেছেন, উক্ত ব্যক্তিগুলো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নয়। তাহলে এখন তিনি অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে কোনো লাভ আছে?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দেবিদ্বার, কুমিল্লা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহ উদ্দিন রুহুল, মো. নজরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন রোহিঙ্গা, ২০ দিন, ৯ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖