📌 সরকার নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ জারি করেছে। এলসি ছাড়াই চুক্তিভিত্তিক পণ্য আমদানি, ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানি এবং ফ্রি ট্রেড জোন প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি ও এমবিএম নিষিদ্ধ তালিকায় যুক্ত হয়েছে
সরকার দেশের আমদানি ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার এনেছে। নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এর অধীনে এলসি ছাড়াই চুক্তিভিত্তিক পণ্য আমদানির সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যচর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এলসি ছাড়াই চুক্তিভিত্তিক পণ্য আমদানির মূল্যসীমা তুলে দেওয়া হয়েছে
- 📌 ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত সম্পূর্ণ তৈরি মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে
- 📌 ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি ও এমবিএম নতুন নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় যুক্ত হয়েছে
- 📌 ফ্রি ট্রেড জোন ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার সুযোগ রাখা হয়েছে
- 📌 নতুন নীতিটি ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে
📰 বিস্তারিত
ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজীকরণ এবং শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ জারি করেছে। এই আদেশটি ২৪ আগস্ট প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন নীতিতে এলসি ছাড়াই চুক্তিভিত্তিক পণ্য আমদানির সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। পূর্ববর্তী নীতিতে বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত এলসি ছাড়া আমদানির সীমা ছিল, যা এখন তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা এখন সরাসরি বিদেশি সরবরাহকারীদের সঙ্গে চুক্তি করে বড় অঙ্কের পণ্য আমদানি করতে পারবেন।
মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্ববর্তী নীতিতে ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেল আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। নতুন নীতিতে সেই সীমা বাড়িয়ে ৩৭৫ সিসি করা হয়েছে। এর ফলে উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলের বাজারে নতুন ব্র্যান্ড ও মডেল প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন নীতির অধীনে মোট ২৮টি পণ্যকে নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাণিজ উৎসের মাংস ও হাড়ের প্রক্রিয়াজাত গুঁড়া (এমবিএম), সব ধরনের পুরোনো বা ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং গিলনেট বা কারেন্ট জাল। ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়িকে আলাদাভাবে নিষিদ্ধ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী নীতিতে স্পষ্ট ছিল না।
এছাড়া নতুন নীতিতে ফ্রি ট্রেড জোন ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমদানি করা পণ্য সংরক্ষণ এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল ব্যবস্থাপনা আরও সংগঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন নীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংজ্ঞাও স্পষ্ট করা হয়েছে।
"আমদানি ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যচর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করতে এই পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭৫ সিসি, ২৮টি, ৫ লাখ মার্কিন ডলার, ৯ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!