📌 চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মাদকবিরোধী সমাবেশে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান সকল অপকর্মের মূল হিসেবে মাদককে চিহ্নিত করেন। অনুষ্ঠানে ১৫ জন মাদক কারবারি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী সমাবেশে সকল অপকর্মের মূল হিসেবে মাদককে চিহ্নিত করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবির খান। সোমবার বিকেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান সকল অপকর্মের মূল হিসেবে মাদককে চিহ্নিত করেন
- 📌 জীবননগর উপজেলায় আয়োজিত মাদকবিরোধী সমাবেশে ১৫ জন মাদক কারবারি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ
- 📌 পুলিশ সুপার জানান, মাদক নির্মূল না হলে সমাজে অপরাধ বৃদ্ধি পাবে
📰 বিস্তারিত
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়ায় আয়োজিত মাদকবিরোধী সমাবেশ ও আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান বলেন, 'সকল অপকর্মের মূল মাদক। যত ধরনের অপরাধ রয়েছে, তার মধ্যে মাদকই শীর্ষস্থানে রয়েছে।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মাদক সেবন করতে না দেওয়ায় রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, মাদক বিক্রেতা, বহনকারী ও সেবনকারীদের পাশাপাশি ভদ্রবেশী অনেক মানুষও মাদকের সঙ্গে জড়িত। এদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে হলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও জানান, মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা শুধু নিজেদের জীবনই ধ্বংস করে না, পরিবার ও সমাজকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেয়।
অনুষ্ঠানে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জীবননগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতিয়ার রহমান। উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা জিয়া মঞ্চের সদস্যসচিব শাহজাহান মিয়া, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবু বকর এবং প্রভাষক আমিনুর জামান তারেক।
"সকল অপকর্মের মূল মাদক। যত ধরনের অপকর্ম আছে, যত ধরনের কুকর্ম আছে, এর মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে মাদক। আপনারা কয়েক দিন আগে দেখেছেন, মাদক খেতে না দেওয়ায় রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে খুন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: মোহাম্মদ রুহুল কবির খান (পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা)
- 🔢 আত্মসমর্পণকারী: ১৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!