📌 চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে চারটি এপিবিএন ক্যাম্প স্থাপন ও এআই ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহারের প্রস্তাব করেছে পুলিশ। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এসব এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধে ২৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে
চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির বিস্তীর্ণ পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে চারটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ক্যাম্প স্থাপনের প্রস্তাব করেছে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ। প্রতিটি ক্যাম্পে এক প্লাটুন সদস্য রাখার পাশাপাশি এআই ক্যামেরা ও থার্মাল ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়িতে চারটি এপিবিএন ক্যাম্প স্থাপনের প্রস্তাব পুলিশের
- 📌 প্রতিটি ক্যাম্পে এক প্লাটুন সদস্য ও এআই ক্যামেরা ও থার্মাল ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা
- 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধে ২৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা
- 📌 গত ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নে প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকাকে সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব এলাকায় প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ড ও গোলাগুলির পর দুর্গম পাহাড়ে পালিয়ে যাচ্ছে অস্ত্রধারীরা। পুলিশের নিয়মিত টহলেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) হাসিব আজিজ বলেন, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকা। সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন জরুরি। তবে এপিবিএনের লোকবলসংকট রয়েছে। নতুন ব্যাটালিয়ন হলে দ্রুত ক্যাম্প স্থাপনের চেষ্টা করা হবে। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীদের মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়াতে হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধে ২৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে ১৮টি রাজনৈতিক বিরোধের জেরে হয়েছে। একই সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনায় সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। সর্বশেষ গত ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
"রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকা। সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন জরুরি। তবে এপিবিএনের লোকবলসংকট রয়েছে। নতুন ব্যাটালিয়ন হলে দ্রুত ক্যাম্প স্থাপনের চেষ্টা করা হবে।"
চলতি বছরের ২২ এপ্রিল রাউজানের গাজীপাড়ার বাজারে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ ইব্রাহিমকে (৩০) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনটি অটোরিকশায় করে আসা ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী তাঁকে গুলি করেন। এর দুই দিন আগে ২০ এপ্রিল বাগোয়ান ইউনিয়নের গরিব উল্লাহপাড়া গ্রামে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ মানিক আবদুল্লাহকে (৩৬) গুলি করে হত্যা করা হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসিব আজিজ (অতিরিক্ত আইজিপি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি ক্যাম্প, ২২০ জন সদস্য, ২৫টি হত্যাকাণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!