📌 চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে থাকা ১২৬টি কনটেইনারের বিপুল পরিমাণ পচনশীল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই ১০টি কনটেইনার ধ্বংস করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুসারে এসব পণ্য অপসারণ করা হচ্ছে
চট্টগ্রাম, ২৪ আগস্ট ২০২৬: চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ১২৬টি কনটেইনারের বিপুল পরিমাণ পচনশীল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রোববার (২৪ আগস্ট) থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের রিপাবলিক ক্লাব এলাকায় এসব পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে বলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বন্দরে ১২৬টি কনটেইনার ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হয়েছে
- 📌 প্রথম দিনেই ধ্বংস করা হয়েছে ১০টি কনটেইনার
- 📌 মোট ধ্বংসযোগ্য পণ্যের পরিমাণ ৩ হাজার ২২৬ টন
- 📌 এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর, সোডা অ্যাশ, ফিড গ্রেড লাইমস্টোন ও বেনটোনাইট পাউডার
- 📌 ধ্বংস কার্যক্রম শেষ হতে সময় লাগবে প্রায় এক সপ্তাহ
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে থাকা ১২৬টি কনটেইনারে মোট ৩ হাজার ২২৬ টন পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে ৩৪টি কনটেইনারে রয়েছে ৯৩৫ টন নিম্নমানের খেজুর। এছাড়া, ৪০টি কনটেইনারে রয়েছে ১ হাজার ২ টন মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী সোডা অ্যাশ। অন্যদিকে, ১৮টি কনটেইনারে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইমস্টোন এবং আটটি কনটেইনারে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ বেনটোনাইট পাউডার। এসবের পাশাপাশি পচা কমলা, নষ্ট পেঁয়াজ, নষ্ট কাজুবাদাম এবং বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্যও রয়েছে।
কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দরের ইয়ার্ডে নামার পর ৩০ দিনের মধ্যে আমদানিকারককে তা খালাস নিতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য খালাস না করলে আমদানিকারককে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস না করলে তা নিলামে তোলা যায়। নিলামে বিক্রি না হলে বা পণ্যের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্যের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বলেন, ‘যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে নিম্নমানের, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। ১২৬টি কনটেইনারে থাকা এসব পণ্যের মোট পরিমাণ ৩ হাজার ২২৬ টন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ধ্বংস কার্যক্রমের প্রথম দিনে ১০ কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি কনটেইনারের পণ্যও ধ্বংস করা হবে। সব পণ্য ধ্বংস করতে আগামী এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।’
‘যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনসাপেক্ষে নিম্নমানের, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।’ — রাসেল আহমেদ, সহকারী কমিশনার, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসেল আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৬টি কনটেইনার, ৩ হাজার ২২৬ টন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!