📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামে দুই বছর আগের স্বর্ণ লুট মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তিতে আরও ছয়জনের নাম

চট্টগ্রামে দুই বছর আগের স্বর্ণ লুট মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তিতে আরও ছয়জনের নাম

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামে ডিবি পরিচয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে লুটের দুই বছর পর পিবিআই প্রধান আসামি সাজু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। আসামির স্বীকারোক্তিতে আরও ছয়জনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।

চট্টগ্রাম নগরীতে দুই বছর আগে সংঘটিত স্বর্ণ লুট মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে পরিচিত সাজু মিয়া (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত সোমবার রাতে ঢাকার গোলাপবাগ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের মনছুরাবাদে পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআই সুপার এস এম রফিকুল ইসলাম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামে ডিবি পরিচয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ী লুটের দুই বছর পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
  • 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তি সাজু মিয়া (৩৭), গাইবান্ধা জেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ভেলারায় গ্রামের বাসিন্দা
  • 📌 আসামির স্বীকারোক্তিতে আরও ছয়জনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রকাশ
  • 📌 ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পুলক দাশকে কোটি টাকার স্বর্ণ ও ১৭ লাখ ৯০ হাজার ৫২০ টাকা লুট
  • 📌 ঘটনার পর ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার কে.সি.দে রোড থেকে ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পুলক দাশকে (৪৫) ডিবি পরিচয়ে দুর্বৃত্তরা তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা তাঁর হাতে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে তোলার পর তাঁর কাছ থেকে কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও স্বর্ণ বিক্রির নগদ ১৭ লাখ ৯০ হাজার ৫২০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে তাঁকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একটি নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পুলক দাশ কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রাথমিকভাবে থানা পুলিশ মামলাটির তদন্ত করলেও পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে পিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে। দুই বছর পর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রশিদের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে প্রধান আসামি সাজু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই সুপার এস এম রফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার আসামি সাজু মিয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ঘটনায় আরও ছয়জনের সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে আসামিদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব নয়। পিবিআই সুপার জানান, তদন্ত দল ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এছাড়া ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোনটি চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার গোভনীয়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

"গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম আদালতে আসামি সাজু মিয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামির জবানবন্দিতে ঘটনাটির সঙ্গে আরও ৬ জনের জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছে। ঘটনায় জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম নগরী, মনছুরাবাদ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাজু মিয়া, পুলক দাশ, এস এম রফিকুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭, ৪৫, ১৭ লাখ ৯০ হাজার ৫২০ টাকা, ৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖