📌 চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও গভীর করতে যৌথ চলচ্চিত্র, ডিজিটাল কনটেন্ট ও চীনা ভাষা শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আয়োজিত কর্মশালায় তিনি চীনা ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব করেন
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০২৬: যৌথ চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র, বই ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ-এর ওপর কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড ও কারিকুলামের ভ্যালিডেশন কর্মশালা’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করতে যৌথ চলচ্চিত্র ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার
- 📌 চীনা ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার
- 📌 বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বে’ উন্নীত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন উপদেষ্টা
- 📌 জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও বিসিএফএ সভাপতি অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নু
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, শিল্প, সংস্কৃতি ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরও কার্যকর করতে চীনা ভাষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বে’ উন্নীত হয়েছে। এ অংশীদারত্ব যত বিস্তৃত হবে, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম ও পেশাজীবীদের চীনা ভাষায় যোগাযোগের সক্ষমতাও তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দক্ষতায় পরিণত হবে।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আরও বলেন, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন একটি কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে ঢাকার একজন শিক্ষার্থী কিংবা প্রত্যন্ত গ্রামের একজন শিক্ষার্থীও অনলাইন ও প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চীনা ভাষা শেখার সুযোগ পান।
"বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধ্যমিক শিক্ষায় তৃতীয় ভাষা চালুর ওপর জোর দিয়েছেন। আগামী কয়েক দশকের প্রয়োজন ও সম্ভাবনা বিবেচনায় চীনা ভাষা তৃতীয় ভাষা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আগারগাঁও, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, ইয়াও ওয়েন, অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!