📌 প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিচারকের রায় লেখা সম্ভব নয়। তিনি এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিবেক ও নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরেন
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে বিচারকের রায় লেখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যবহার অনুচিত হবে। শনিবার রাজধানীর এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশ মিলনায়তনে ‘এআই গভর্নেন্স সামার স্কুল ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেন, এআই দিয়ে বিচারকের রায় লেখা সম্ভব নয়
- 📌 তিনি বলেন, রায় লেখার ক্ষেত্রে ফ্যাক্ট, আইন ও বিবেকের প্রয়োজন
- 📌 এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনার কথা উল্লেখ করেন
- 📌 তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, এআই ব্যবহারের ফলে ভুল রায় দেওয়া হতে পারে
📰 বিস্তারিত
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেন, এআই দিয়ে বিচারকের রায় লেখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যবহার অনুচিত হবে। তিনি বলেন, রায় লেখার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় প্রয়োজন—ফ্যাক্ট, আইন ও বিবেক। তিনি বলেন, ফ্যাক্ট হলো মামলার বিষয়বস্তু, আইন হলো প্রযোজ্য আইনের ধারা, আর বিবেক হলো নৈতিক বিচার। তিনি বলেন, বিবেক মানুষের নিজস্ব চিন্তাশক্তি থেকে আসে, যা এআই দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
তিনি ব্রিটেনের একটি মামলার উদাহরণ দিয়ে বলেন, সেখানে একটি মামলার রেফারেন্স দেওয়া হয়েছিল, যা পরে ভুল প্রমাণিত হয়। তিনি বলেন, এআই ব্যবহারের ফলে এমন ভুল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তিনি বলেন, এআইয়ের ভবিষ্যৎ অসীম হলেও এর ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। তিনি বলেন, এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনা করতে হবে।
তিনি বলেন, বিচারিক জীবনের ২৩ বছর ধরে তিনি শিখেছেন, এআই দিয়ে বিচারকের রায় লেখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, মানুষ যখন চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলবে, তখন সে অনেক ছোট হয়ে যাবে।
"আপনি এআই দিয়ে যা-ই করেন আর না করেন, রায় লিখতে পারবেন না। এটা হবে অনুচিত। কারণ রায় লিখতে হয় তিনটি জিনিস দিয়ে—ফ্যাক্ট, আইন ও বিবেক। বিবেক এআই দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মানুষের নিজস্ব চিন্তাশক্তি থেকে আসে বিবেক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশ মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ বছর (বিচারিক জীবন), ২৭ আগস্ট (বিচারিক জীবনের সূচনা), ২৯ আগস্ট (উদ্বোধনী অনুষ্ঠান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!