📌 পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলা ইউনিয়নে এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র নাবালিকা মাদরাসা ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অন্তঃসত্ত্বা করে। পুলিশ অভিযুক্ত কিশোর মো. আখিনুরকে গ্রেপ্তার করেছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর বয়স ১৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসা পরীক্ষায় পাওয়া গেছে
পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলা ইউনিয়নে এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র নাবালিকা মাদরাসা ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অন্তঃসত্ত্বা করে। পুলিশ অভিযুক্ত কিশোর মো. আখিনুরকে গ্রেপ্তার করেছে এবং মামলা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ৭ মে রাতে, যখন অভিযুক্ত ছাত্র ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলা ইউনিয়নে এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র মাদরাসা ছাত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করে।
- 📌 অভিযুক্ত মো. আখিনুর (১৪ বছরেরও কম বয়সী) পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন।
- 📌 ভুক্তভোগী কিশোরী ১৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসা পরীক্ষায় পাওয়া গেছে।
- 📌 অভিযুক্তের চাচা মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, তার ভাতিজা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না।
- 📌 ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ এবং মা বাকপ্রতিবন্ধী।
- 📌 অভিযুক্তের বয়স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে; তার চাচা দাবি করেন, তার বয়স ১৪ বছরের কিছু বেশি।
📰 বিস্তারিত
পঞ্চগড় সদর উপজেলা চাকলা ইউনিয়নের কদমতলী এলাকার মাদরাসায় যাওয়া-আসার পথে অভিযুক্ত মো. আখিনুর দীর্ঘদিন ধরে নাবালিকা মাদরাসা ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং গত ৭ মে রাতে বাড়ির সবার অনুপস্থিতির সুযোগে আখিনুর ওই কিশোরীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ৫ সেপ্টেম্বর কিশোরীকে পঞ্চগড় লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষার মাধ্যমে ওই কিশোরী ১৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে।
মামলা করার পর আসামির পরিবারের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী কিশোরীকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বাদী শাহীনুর ইসলাম। তিনি জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ এবং মা বাকপ্রতিবন্ধী। এ সুযোগে আখিনুর ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকলেছুর রহমান জানান, মামলা পাওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী কিশোরীর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্তের চাচা মনিরুল ইসলামের দাবি, তার ভাতিজা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। তিনি জানান, মামলা না করে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করতে চেয়েছিলেন। অভিযুক্তের বয়স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার দাবি, আখিনুরের জন্ম ২০১২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি। সে হিসেবে তার বয়স ১৪ বছরের কিছু বেশি হওয়ার কথা। অথচ মামলার এজাহারে তার বয়স ১৯ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।
"আখিনুরের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি জানায়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে এবং আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নিতে কিছুটা বিলম্ব হয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাকলা ইউনিয়ন, পঞ্চগড় সদর উপজেলা, কদমতলী এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আখিনুর (অভিযুক্ত), শাহীনুর ইসলাম (বাদী), মনিরুল ইসলাম (অভিযুক্তের চাচা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সপ্তাহ (অন্তঃসত্ত্বা), ১৪ বছর (অভিযুক্তের দাবি করা বয়স), ১৯ বছর (মামলায় উল্লেখিত বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!