📌 চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ বিদেশগামীদের প্রতারণার উদ্দেশ্যে জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স তৈরির অভিযোগে চার সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তরা সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে প্রকৃত সনদের আদলে জাল সনদ তৈরি এবং নকল ওয়েবসাইট ও কিউআর কোড ব্যবহার করতেন
চট্টগ্রাম, ১৭ আগস্ট ২০২৬: বিদেশগামী নাগরিকদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় এবং সরকারি নথির বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা ও গোয়েন্দা শাখার যৌথ অভিযানে চার সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন মো. আশরাফ আলী খান (৩৬), মো. নিশান (৩৬), মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন (৪৮) ও মো. আবদুর রহমান (৪৬)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদেশগামীদের কাছ থেকে সহজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার নামে প্রতারণা করে এক লাখ বিশ হাজার টাকা আদায়
- 📌 সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে প্রকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আদলে জাল সনদ তৈরি
- 📌 প্রকৃত সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে নকল ওয়েবসাইট ও কিউআর কোড ব্যবহার করে জাল সনদকে আসল বলে প্রতারণা
- 📌 চক্রটির সদস্যরা বাঁশখালী ও চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার
📰 বিস্তারিত
সোমবার (১৭ আগস্ট) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, বিদেশগামী এক ব্যক্তির কাছ থেকে সহজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার নামে এক লাখ বিশ হাজার টাকা আদায়ের ঘটনার সূত্র ধরে চক্রটির কার্যক্রমের সন্ধান পাওয়া যায়। অভিযুক্তরা সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে প্রকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আদলে একটি জাল সনদ তৈরি করেন। এরপর প্রকৃত সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে একটি নকল ওয়েবসাইট ও কিউআর কোড তৈরি করে জাল সনদটিকে আসল বলে প্রতারণা করেন।
ভুক্তভোগী ব্যক্তি জাল সনদটিকে প্রকৃত মনে করে সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সিতে জমা দিলে পরবর্তীতে যাচাইয়ে তা জাল হিসেবে শনাক্ত হয়। বিষয়টি জানিয়ে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা তদন্ত শুরু করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল বলেন, ‘সরকারি নথি জালিয়াতি, প্রযুক্তির অপব্যবহার ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণাই নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সরকারি নথির বিশ্বাসযোগ্যতা ও দেশের ভাবমূর্তির জন্যও ঝুঁকি তৈরি করে।’
‘সরকারি নথি জালিয়াতি, প্রযুক্তির অপব্যবহার ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’ — মো. রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাসেল (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন গ্রেপ্তার, ১ লাখ ২০ হাজার টাকা প্রতারণা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!