📌 চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা সড়ক অবরোধ করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস না পেয়ে হতাশ চালকরা পরিবার নিয়ে চলার অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন
চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর এলাকায় গ্যাস না পেয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে সড়ক অবরোধ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে ফসিল ফিলিং স্টেশনের সামনে গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন। পরে পুলিশের অনুরোধে তাঁরা সড়ক থেকে সরে যান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ
- 📌 ফসিল ফিলিং স্টেশনের সামনে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গ্যাসের জন্য অপেক্ষা
- 📌 চালকদের অভিযোগ, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় দৈনিক আয় ব্যাহত
- 📌 পুলিশের উপস্থিতিতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর সড়ক অবরোধ তুলে নেয় চালকরা
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর এলাকায় অবস্থিত ফসিল ফিলিং স্টেশনের সামনে শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা সড়ক অবরোধ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে স্টেশনের সামনে গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন। ছুটির দিন হওয়ায় সড়কে যান চলাচল তুলনামূলক কম থাকলেও গ্যাস নেওয়ার জন্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।
চালকদের একজন মোহাম্মদ হানিফ বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি চালাতে পারছি না। কখন গ্যাস পাব, সেটাও কেউ বলতে পারছে না। এভাবে দিনের পর দিন বসে থাকলে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব?’
ফসিল ফিলিং স্টেশনের এক কর্মকর্তা জানান, গ্যাসের সরবরাহ না থাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কিছু করার নেই বলে জানান তিনি।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল উপস্থিত হয়ে চালকদের বোঝানোর চেষ্টা করে। পরে তাঁরা ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর সড়ক অবরোধ তুলে নিয়ে চলে যান।
‘২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি চালাতে পারছি না। কখন গ্যাস পাব, সেটাও কেউ বলতে পারছে না।’ — মোহাম্মদ হানিফ, অটোরিকশা চালক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ হানিফ (অটোরিকশা চালক), মো. জাহেদুল ইসলাম (পাঁচলাইশ থানার ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা, ১৫-২০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!