📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের আতাহার বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নকল কীটনাশক তৈরির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সার ও রাসায়নিক পদার্থ জব্দ করা হয়
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আতাহার বাজারে অবৈধভাবে নকল কীটনাশক উৎপাদন ও সার মজুতের অভিযোগে ব্যবসায়ী মো. সদের আলীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যবসায়ী মো. সদের আলীকে নকল কীটনাশক তৈরির দায়ে এক বছরের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা
- 📌 জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত তিন মাস কারাদণ্ড প্রদান
- 📌 অভিযানে জব্দ হয় ৩০৭ বস্তা ইউরিয়া, ২৪৪ বস্তা এমওপি, ১৯ বস্তা ডিএপি ও তিন বস্তা টিএসপি সার
- 📌 দোকান ও গোডাউন থেকে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ, প্লাস্টিকের বোতল ও কীটনাশকের খালি প্যাকেট উদ্ধার
📰 বিস্তারিত
সোমবার রাতে সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার বাজারে অবস্থিত 'মেসার্স সদের ট্রেডার্স' নামের দোকান ও সংলগ্ন গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকরামুল হক নাহিদের নেতৃত্বাধীন দল। জেলা পুলিশ ও উপজেলা কৃষি বিভাগের সহায়তায় পরিচালিত এই অভিযানে দোকান ও গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে আরও পাওয়া যায় স্টক রেজিস্ট্রারের সঙ্গে প্রকৃত মজুতের ব্যাপক অমিল। ব্যবসায়ী পর্যাপ্ত বিক্রয় রসিদ ও বিক্রয় রেজিস্ট্রার প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনাইন বিন জামানের প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে এবং আসামির স্বীকারোক্তির পর সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় তাঁকে দণ্ডিত করা হয়।
জব্দ করা সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য কৃষি বিভাগের কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। আর জব্দ করা রাসায়নিক পদার্থ যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও নিষ্পত্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
"জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আতাহার বাজার, ঝিলিম ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সদের আলী (৩৮), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকরামুল হক নাহিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০৭ বস্তা ইউরিয়া, ২৪৪ বস্তা এমওপি, ১৯ বস্তা ডিএপি, তিন বস্তা টিএসপি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!