📌 চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মুখে গামছা পেঁচিয়ে গরম পানি ঢেলে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় তারেক নামে ওই কিশোরের মা পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মুখে গামছা পেঁচিয়ে গরম পানি ঢেলে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার শিকার কিশোরটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের ক্যানটিনে কর্মচারী হিসেবে কাজ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মতলব দক্ষিণ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়
- 📌 ঘটনার শিকার কিশোরটির নাম মো. তারেক (১৭), সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের ক্যানটিনে কর্মচারী
- 📌 তারেকের মুখে গামছা পেঁচিয়ে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন ও মারধরের অভিযোগ
- 📌 ঘটনার তদন্তে ব্যবসায়ী আল আমিন প্রধানীয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তারেকের মা
- 📌 পুলিশ মামলার অন্যতম আসামি শফিকুল ইসলাম প্রধানীয়াকে গ্রেপ্তার করেছে
📰 বিস্তারিত
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় ব্যবসায়ী আল আমিন প্রধানীয়ার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে চুরির ঘটনা ধরা পড়লেও চোরকে স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়নি। এরপর চুরির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তারেককে ডেকে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তারেকের মা খুকি বেগম জানান, ছেলেকে চোর বানিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মুখে গামছা পেঁচিয়ে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয়। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে অনুনয়-বিনয় করলেও ছেলেকে ছাড়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। একপর্যায়ে তারেক অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
তারেক জানান, তিনি চুরি করেননি এবং জোরপূর্বক চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। তারেকের মা দাবি করেন, ছেলেকে নির্দোষ অবস্থায় মারধর ও নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বিচার চান বলে জানান।
"আমি চুরি করিনি। সন্দেহ করে আমাকে তারা চোর বানাইছে। চোরের অপবাদ দিয়া গাছের সঙ্গে বাঁইধা আমারে মারধর করছে। মুখে গামছা প্যাঁচাইয়া সেখানে গরম পানি ঢাইলা আমারে নির্যাতন করে। আমার কাছ থেইকা জোরপূর্বক চুরির স্বীকারোক্তিও আদায়ের চেষ্টা করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোবিন্দপুর, মতলব দক্ষিণ উপজেলা, চাঁদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. তারেক (১৭), খুকি বেগম (তার মা), আল আমিন প্রধানীয়া, শফিকুল ইসলাম প্রধানীয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (আসামির সংখ্যা), ১৭ (তারেকের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!