📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত চাচাতো ভাইকে সালিসিতে কান ধরে সাতবার উঠবস করানোর শাস্তি দেওয়া হয়। তবে ভুক্তভোগী পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত তার চাচাতো ভাইকে স্থানীয় সালিসিতে কান ধরে মাত্র সাতবার উঠবস করিয়ে ‘শাস্তি’ দেওয়া হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী পরিবার এই সালিসি বিচার প্রত্যাখ্যান করে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম (২৪) নামে এক প্রসাধনী ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ তার চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে
- 📌 স্থানীয় সালিসিতে অভিযুক্তকে কান ধরে সাতবার উঠবস করিয়ে শাস্তি দেওয়া হয়
- 📌 ভুক্তভোগী পরিবার সালিসির রায় প্রত্যাখ্যান করে মামলা দায়েরের ঘোষণা দেয়
- 📌 অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান থানার ওসি
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার রাত ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম (২৪) প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে বাড়ির পাশের নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে একটি পরিত্যক্ত ঘরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি প্রকাশ হয়ে পড়লে স্থানীয় সর্দারদের উদ্যোগে গতকাল সকালে সালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিসিতে অভিযুক্তকে কান ধরে সাতবার উঠবস করিয়ে দায়সারা বিচার করা হয়।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার এই সালিসির রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে তা প্রত্যাখ্যান করে। কিশোরীর বড় ভাই জানান, ‘স্থানীয় সর্দাররা জাহিদুলকে সাতবার উঠবস করিয়েই ঘটনা ধামাচাপা দিতে চেয়েছেন। এ রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। আমি মামলা করব।’
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম গা-ঢাকা দিয়েছেন। তার মুঠোফোন নম্বরে কল করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী কিশোরীকে গতকাল বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও আলামত সংগ্রহ করেছেন।
"এটা দশে মিলে বিচার করছে। আমি না, দশে মিলে শেষ করছে। আর ধর্ষণের ঘটনা তো আমি চোখে দেখিনি। কইতারতাম না, আল্লাহ জানে। আমি দেখছিও না, আমি সাক্ষীও না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহিদুল ইসলাম (২৪), ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বার উঠবসের শাস্তি, অভিযুক্তের বয়স ২৪ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!