📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্ল্যাকহোল অভিযানে নতুন সম্ভাবনা: এক গ্রাম ওজনের মহাকাশযান পাঠানোর পরিকল্পনা বিজ্ঞানীদের

ব্ল্যাকহোল অভিযানে নতুন সম্ভাবনা: এক গ্রাম ওজনের মহাকাশযান পাঠানোর পরিকল্পনা বিজ্ঞানীদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্ল্যাকহোলের অভিকর্ষ বল কাজে লাগিয়ে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব পরীক্ষার উদ্দেশ্যে চীনের বিজ্ঞানী কাসিমো বাম্বি এক গ্রাম ওজনের মহাকাশযান পাঠানোর পরিকল্পনা করেছেন। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে প্রায় ১০ কোটি নক্ষত্র-ভরের ব্ল্যাকহোল থাকলেও সবচেয়ে কাছেরটির দূরত্ব ১ হাজার ৫৬০ আলোকবর্ষ

মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তু হিসেবে পরিচিত ব্ল্যাকহোল। এর প্রচণ্ড অভিকর্ষ বলের কারণে বিজ্ঞানীরা সরাসরি পর্যবেক্ষণের পরিবর্তে মহাকাশযান পাঠানোর কথা ভাবছেন। চীনের ফুদান ইউনিভার্সিটির গবেষক কাসিমো বাম্বি সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে দেখিয়েছেন, কীভাবে মাত্র এক গ্রাম ওজনের একটি মহাকাশযান ব্ল্যাকহোলের কাছাকাছি পাঠানো সম্ভব।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব পরীক্ষার জন্য ব্ল্যাকহোল অভিযানের পরিকল্পনা করছেন বিজ্ঞানীরা
  • 📌 চীনের ফুদান ইউনিভার্সিটির গবেষক কাসিমো বাম্বি এক গ্রাম ওজনের মহাকাশযান পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন
  • 📌 মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে প্রায় ১০ কোটি নক্ষত্র-ভরের ব্ল্যাকহোল রয়েছে
  • 📌 সবচেয়ে কাছের ব্ল্যাকহোলটির নাম ‘গায়া বিএইচ১’, যা পৃথিবী থেকে ১ হাজার ৫৬০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত
  • 📌 আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে লুকিয়ে থাকা ব্ল্যাকহোল শনাক্ত করা সম্ভব
  • 📌 লেজারচালিত সোলার সেইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মহাকাশযানকে আলোর গতির কাছাকাছি গতিতে পাঠানো যেতে পারে

📰 বিস্তারিত

ব্ল্যাকহোলের অভিকর্ষ বল এতটাই শক্তিশালী যে, এর সাহায্যে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব পরীক্ষা করা সম্ভব। তবে পৃথিবীর কাছাকাছি কোনো ব্ল্যাকহোল না থাকায় সরাসরি পর্যবেক্ষণ কঠিন। চীনের ফুদান ইউনিভার্সিটির গবেষক কাসিমো বাম্বি তাঁর গবেষণাপত্রে দেখিয়েছেন, কীভাবে মাত্র এক গ্রাম ওজনের একটি মহাকাশযান ব্ল্যাকহোলের কাছাকাছি পাঠানো সম্ভব।

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে প্রায় ১০ কোটি নক্ষত্র-ভরের ব্ল্যাকহোল রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯২ শতাংশের কোনো সঙ্গী নক্ষত্র নেই, ফলে তাদের সরাসরি শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব। তবে পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি ৫০০ কিউবিক পারসেক এলাকায় অন্তত একটি নক্ষত্র-ভরের ব্ল্যাকহোল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর অর্থ হলো, পৃথিবী থেকে মাত্র ২০ থেকে ২৫ আলোকবর্ষ দূরত্বের মধ্যেই এমন কোনো অদৃশ্য ব্ল্যাকহোল লুকিয়ে থাকতে পারে।

বাম্বির মতে, আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে লুকিয়ে থাকা ব্ল্যাকহোল শনাক্ত করা সম্ভব। যখন ব্ল্যাকহোলটি গ্যাস গিলতে শুরু করবে, তখন সেখান থেকে নির্গত বিকিরণ পর্যবেক্ষণ করেই তাদের অবস্থান জানা যাবে। তবে প্রচলিত রকেট প্রযুক্তিতে কয়েক আলোকবর্ষ দূরের গন্তব্যে পৌঁছাতে কয়েক হাজার বছর লেগে যাবে। তাই বিকল্প হিসেবে লেজারচালিত সোলার সেইল প্রযুক্তির কথা ভাবছেন বিজ্ঞানীরা।

"রকেট সায়েন্সের একটি বড় সমস্যার নাম হলো রকেট ইকুয়েশনের স্বৈরতন্ত্র। প্রচলিত রকেটে কয়েক আলোকবর্ষ দূরের কোনো গন্তব্যে পৌঁছাতে কয়েক হাজার বছর লেগে যাবে। তাত্ত্বিক দিক থেকে সবচেয়ে সেরা বিকল্প হলো লেজারচালিত সোলার সেইল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহাবিশ্ব, মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাসিমো বাম্বি (গবেষক, ফুদান ইউনিভার্সিটি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ গ্রাম, ১০ কোটি, ৯২ শতাংশ, ১ হাজার ৫৬০ আলোকবর্ষ, ৫০০ কিউবিক পারসেক, ২০ থেকে ২৫ আলোকবর্ষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖