📌 বরিশাল বিএম কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে যোগদানে ব্যর্থ হন অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। বিসিএস শিক্ষকদের বাধার মুখে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করে কলেজ প্রাঙ্গণে। শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে যোগদানে ব্যর্থ হন অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। বিসিএস শিক্ষকদের বাধার মুখে দিনভর কলেজ প্রাঙ্গণ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একাই অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত হন অধ্যাপক আজাদ, তবে বিসিএস শিক্ষকদের অবস্থানের কারণে যোগদান করতে পারেননি তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিসিএস শিক্ষকদের বাধায় উপাধ্যক্ষ পদে যোগদান করতে পারেননি অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ
- 📌 দিনভর অর্ধশত বিসিএস শিক্ষক অধ্যক্ষের কার্যালয়ে অবস্থান নেন
- 📌 ছাত্রদের দুটি অংশ প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান নিলে উত্তেজনা দেখা দেয়
- 📌 অভিযোগ উঠেছে, উৎকোচ দিয়ে পদটি দখল করেছেন অধ্যাপক আজাদ
- 📌 কলেজের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম প্রশ্ন তুলেছেন, কেন বিসিএস ক্যাডারদের বঞ্চিত করে নন-ক্যাডারকে পদায়ন করা হচ্ছে?
📰 বিস্তারিত
বরিশাল সরকারি বিএম কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে যোগদানের জন্য অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত হন অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। তবে বিসিএস শিক্ষকদের বাধার কারণে তিনি যোগদান করতে পারেননি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একাই অধ্যক্ষের কার্যালয়ে আসেন অধ্যাপক আজাদ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী। তবে কোনো শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না।
দিনভর অর্ধশত বিসিএস শিক্ষক অধ্যক্ষের কার্যালয়ে অবস্থান নেন। দুপুরের দিকে অধ্যাপক আজাদকে নন-ক্যাডার পদায়ন, জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন ও আওয়ামী সুবিধাভোগী হিসেবে অভিহিত করে একদল ছাত্রদল নেতা প্রশাসনিক ভবনে অবস্থান নেন। একই সময়ে অধ্যাপক আজাদের অনুসারী ছাত্রদলের অপর একটি অংশ সেখানে উপস্থিত হলে দুই পক্ষে হাতাহাতি ও বাগ্বিতণ্ডা ঘটে।
ছাত্রদল কর্মী আকবর মুবিন অভিযোগ করেন, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ ১০ শতাংশ কোটায় আসা নন-ক্যাডার শিক্ষক। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে নানা সুবিধা ভোগ করেছেন। তাঁর এই পদায়ন কলেজকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, কলেজের ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজিদ হোসেন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমেই অধ্যাপক আজাদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে ছড়িয়ে দেওয়া ছবিগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
"শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমেই স্যারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাই আমরা তাঁর পক্ষে আছি এবং সার্বিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাঁর যেসব ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (শিক্ষক), ১০ (শতাংশ), ১৮০ (শিক্ষক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!