📌 সড়ক ও নদীবাঁধ ভাঙন রোধে ‘বিন্না ঘাস’ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি প্রকল্প বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রস্তুত করবে। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগে যুক্ত হচ্ছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
সড়ক ও নদীবাঁধ ভাঙন রোধে বৈপ্লবিক উদ্যোগ হিসেবে ‘বিন্না ঘাস’ (ভেটিভার গ্রাস) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় রূপরেখা প্রস্তুত এবং প্রকল্প চিহ্নিত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সড়ক ও নদীবাঁধ ভাঙন রোধে ‘বিন্না ঘাস’ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত সরকারের
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি প্রকল্প বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রস্তুত করবে
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ
- 📌 বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে গবেষণা হয়েছে এই ঘাসের কার্যকারিতা নিয়ে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে অবকাঠামোগত স্থায়িত্ব বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। সরকার সড়ক ও নদীবাঁধ ভাঙন রোধে ‘বিন্না ঘাস’ নামে পরিচিত ভেটিভার গ্রাস ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ নিশ্চিত করা।
গত সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বিন্না ঘাসের কার্যকারিতা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি সচিত্র প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে উপস্থিত সবাই বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং এর ব্যবহার নিয়ে একমত পোষণ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘এটি ঠিক কোন কোন প্রকল্পে প্রয়োগ করা সম্ভব, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার জন্য কারিগরি কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
‘বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং সড়ক ও বাঁধ সুরক্ষায় এর ব্যবহার নিয়ে সবাই একমত পোষণ করেন। এটি ঠিক কোন কোন প্রকল্পে প্রয়োগ করা সম্ভব, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার জন্য কারিগরি কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’ — প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন
আন্তর্জাতিকভাবে ‘ভেটিভার’ নামে পরিচিত এই ঘাস বিশ্বজুড়ে নদীভাঙন রোধ ও পাহাড়ি ধস ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই ঘাস নিয়ে গবেষণা করছেন বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। তাঁর গবেষণার সাফল্যের কারণে এটি ‘জাদুর ঘাস’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, বিন্না ঘাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর শিকড়, যা অত্যন্ত দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মাটিকে সুদৃঢ়ভাবে ধরে রাখে। এমনকি ছয়টি শিকড় একত্রিত হলে তা ইস্পাতের মতো শক্তিশালী হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গবেষণা চলছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!